প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপে গোল মিস করার কারণে এক মৃত্যুর হুমকি পেয়েছেন কলম্বিয়ার ফরোয়ার্ড হামিন্তন কাম্পাজ।
গোল মিস করার পর হতাশায় মাথায় হাত কাম্পাজের। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি ১১ জুলাই, ২০২৬ তারিখে গোল মিস করে হতাশ হয়ে পড়েন। এই ঘটনার ফলে তার জীবন যে কতটা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে, তা বুঝতে পারছেন তিনি।
প্রাণনাশের হুমকির বিষয়টি নিশ্চিত করে কাম্পাজ সামাজিক মাধ্যমে ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘ফুটবলে কঠিন মুহূর্ত আসে। প্রিয় কলম্বিয়া, দয়া করে কখনো শ্রদ্ধাবোধ হারিয়ে ফেলবেন না। আমাদের মতামত ভিন্ন হতে পারে। হয়তো আমরা হতাশা ও দুঃখ অনুভব করছি। কিন্তু কোনও আবেগই ঘৃণা ছড়ানো বা ভয়ে বেঁচে থাকাকে যৌক্তিকতা দেয় না।’
কাম্পাজের এই ঘটনায় কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন প্রকাশ্যে তার পাশে দাঁড়িয়েছে। তারা হুমকিদাতাকে চিহ্নিত করে দ্রুত আহ্বানের তদন্ত করার বিষয় জানিয়ে লিখেছে, ‘দেশের হয়ে খেলার কারণে কোনো খেলোয়াড় বা তার পরিবার-পরিজনকে ভয়ভীতি দেখানো বা হুমকি দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
বিবৃতিতে তারা আরও লিখেছে, ‘ফুটবল হওয়া উচিত ঐক্য, সম্মান ও আশার জায়গা—কখনোই ঘৃণা, ভয়ভীতি বা সহিংসতার পরিবেশ নয়।’ তারা সমর্থকদের অনুরোধ করেছেন যেন খেলার মাঠের হতাশা কখনও বাস্তব জীবনের সহিংসতায় রূপ না নেয়।
ভ্যাঙ্কুভারে কাম্পাজের সামনে নায়ক হওয়ার দারুণ সুযোগ ছিল। কিন্তু ১১৫ মিনিটে গোল মিস করে তিনি এখন ‘খলনায়ক’ হয়ে গেছেন। অতিরিক্ত সময়ে গোলরক্ষককে একা পেয়েও বারের ওপর দিয়ে বল মারেন তিনি। সুইজারল্যান্ডের কাছে তারা শেষ ষোলোর ম্যাচে ৪-৩ গোলে পেনাল্টিতে হেরে যায় এবং টাইব্রেকারে নিজের শটে গোল করলেও কোনও লাভ হয়নি। ফলে বাড়ির টিকিট তারা ঠিকই কাটতে হয়েছে।
কাম্পাজের এই ঘটনা ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার কথা মনে করাচ্ছে। তখন ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবার আত্মঘাতী গোল করার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরে যায় কলম্বিয়া। বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ক্ষোভে দেশে ফেরার কিছুদিন পরেই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন