প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খেলাধুলা শুধুমাত্র পদক জয়ের প্রতিযোগিতার বিষয় নয়, এটি সীমান্ত, ভাষা ও সংস্কৃতির বিভেদ অতিক্রম করে মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম। এই মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ১০ম ক্যাডেট, জুনিয়র, অনূর্ধ্ব-২১ ও সিনিয়র সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আমিনুল হক আরো জানান, ‘খেলাধুলার এমন একটি অনন্য শক্তি আছে, যা সব ধরনের সীমারেখা অতিক্রম করে অনেক মানুষের মধ্যে মিলন ঘটাতেই সক্ষম। আজ এখানে সাত শতাধিক অ্যাথলেট ও কর্মকর্তাদের একত্রিত হয়ে উপস্থিত হয়ে মনে হচ্ছে, খেলাধুলা কেবল প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র নয়, বরং এটি শান্তি, বন্ধুত্ব এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও একটি শক্তিশালী মাধ্যম।’
তিনি অপ্রকাশিত এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এই আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন কেবল প্রশাসনিক সাফল্য নয়, পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সংহতি ও পারস্পরিক আস্থার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তরুণদের জন্য যে অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে একত্রিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে সেটি শান্তি এবং সম্মিলিত অগ্রগতি আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।
সরকারের ক্রীড়া উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যুব উন্নয়নকে সরকার জাতীয় অগ্রগতির প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। বিশ্বমানের ক্রীড়া অবকাঠামো নির্মাণ, উচ্চমানের প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের সক্ষমতা অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার প্রমাণ হিসাবে এই সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ কাজ করবে।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান এবং স্বাগতিক বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী অ্যাথলেটদের স্বাগত জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ক্রীড়াবিদ তাদের নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করলেও তারা সম্মিলিতভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ঐক্য ও সম্প্রীতির দূত।’
অ্যাথলেটদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বহু বছরের কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে আপনারা এই মঞ্চে পৌঁছেছেন। প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে লড়াই করবেন, তবে ক্রীড়াসুলভ আচরণ, বিনয় ও পারস্পরিক সম্মান যেন সব সময় অটুট থাকে। বিজয় বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করবেন এবং পরাজয় মর্যাদার সঙ্গে মেনে নেবেন। আপনারা এই নিষ্ঠা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন