প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের সূচনায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি তীব্র রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন। সাউথ ডাকোটার ঐতিহাসিক মাউন্ট রাশমোরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে কমিউনিজমের পুনরুত্থান সম্পর্কে দাবি করেন এবং এটিকে দেশের জন্য একটি বড় হুমকি বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি অবৈধ অভিবাসী এবং যাদের তিনি কমিউনিস্ট আখ্যা দেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানিয়েছেন।
শুক্রবার রাতে প্রদত্ত এই বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত পরিচয় ফিরিয়ে আনতে হবে। তার দাবি, দেশের সর্বত্র এমন একটি আদর্শিক প্রবণতা বিকশিত হয়েছে যা মার্কিন সংবিধান এবং স্বাধীনতার চেতনার পরিপন্থী।
তিনি আরও বলেন, স্নায়ুযুদ্ধের পর আবার নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রে কমিউনিজমের উত্থান ঘটছে। তার মতে, এই প্রবণতা দেশের স্বাধীনতা এবং মূল্যবোধের জন্য একটি গুরুতর হুমকি। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, কমিউনিস্টদের দ্রুত পরাস্ত করা হবে এবং তাদেরকে দেশ থেকে নির্বাসনে পাঠানো হবে।
ভাষণে ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন যে, প্রগতিশীলরা শিশুদের এমন শিক্ষা প্রদান করছে যা দাবি করে যুক্তরাষ্ট্র চুরি করা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এবং দেশের ঐতিহাসিক বীরেরা ছিলেন অত্যাচারী। এসব বক্তব্যকে তিনি মার্ক্সবাদী প্রচারণা হিসেবে অভিহিত করেন।
এসময় ট্রাম্প কংগ্রেসের প্রতি সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাস করার আহ্বান জানান। তার দাবি, এই আইন কার্যকর হলে নির্বাচনী ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণ সম্ভব হবে। তবে সমালোচকদের মতে, প্রস্তাবিত আইনটি ভোটাধিকার সীমিত করার লক্ষ্যে নির্দেশিত হতে পারে।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সূচনা হয়েছে। ইতিহাসবিদ এবং সমালোচকদের একটি অংশের অভিযোগ, ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের কিছু বিতর্কিত অধ্যায়কে এড়িয়ে গেছেন। বিশেষ করে আদিবাসী জনগণের ভূমি দখল এবং দাসপ্রথার ইতিহাস নিয়ে তার বক্তব্যের মধ্যে ভারসাম্যের অভাব রয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেছেন।
মার্কিন স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ট্রাম্পের দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলেও তার আরও একটি ভাষণ এবং আতশবাজির আয়োজন রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন