প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ম্যাচের ৮৫ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। এনজো ফার্নান্দেজের দুর্দান্ত সমতাসূচক গোলের তিন মিনিট পরে লাউতারো মার্তিনেজের হেডে ম্যাচটি ঘুরিয়ে দেয় বর্তমান আলবিসেলেস্তেরা। এতে তারা ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ফাইনালের জন্য নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে।
আটলান্টা স্টেডিয়ামে হাইভোল্টেজ ম্যাচে গোল না পেলেও নিজের জাত চেনাতে ভুল করেননি লিওনেল মেসি। তার দেওয়া একটি দুর্দান্ত পাসে গোল করে আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে ফেরান এনসো ফার্নান্দেজ। এরপর যোগ করা সময়ে মেসির বাড়িয়ে দেওয়া বলে গোল করে ব্যবধান ২-১ করেন লাউতারো মার্তিনেজ। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধানে জিতেই আর্জেন্টিনা ফাইনালে পৌঁছেছে।
আর এই জোড়া অ্যাসিস্টের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ফুটবলের আধুনিক ইতিহাসের পাতায় নিজের রেকর্ডকে আরও সমৃদ্ধ ও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এটি ছিল বিশ্বকাপে মেসির ১২তম অ্যাসিস্ট (গোল করানো)। ছয়টি বিশ্বকাপ আসরে অংশ নিয়ে তিনি এই চোখধাঁধানো কীর্তি গড়লেন। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেও তিনি একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে লিওনেল মেসিই একমাত্র ফুটবলার, যিনি পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন আসরে অ্যাসিস্ট করার অনন্য রেকর্ড গড়েছেন। ২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপ দিয়ে এই যাত্রার সূচনা হয়েছিল। এরপর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং চলমান বিশ্বকাপের প্রতিটি বিশ্বকাপেই সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর এই ধারাটি বজায় রেখেছেন তিনি। ৮ অ্যাসিস্ট নিয়ে দুইয়ে রয়েছেন দিয়েগো ম্যারাডোনা।
এই নতুন অ্যাসিস্টের ফলে বিশ্বকাপে সরাসরি গোল করার পেছনে মেসির অবদান বা ‘ডাইরেক্ট গোল ইনভলভমেন্ট’ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। গোল করা এবং গোল করানো—এই দুই পরিসংখ্যান অনুযায়ী আধুনিক ফুটবল তো বটেই, বিশ্বকাপের পুরো ইতিহাসে মেসির চেয়ে বেশি অবদান রাখতে পারেননি অন্য কোনো ফুটবলার। ৩৯ বছর বয়সেও মাঠের দখল ধরে রেখে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারিগর এখন কেবল লিওনেল মেসি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন