প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মালয়েশিয়ায় আবাসিক এলাকা এবং বিদেশিদের বসবাসের প্রধান হটস্পটগুলোতে দুই দিনের বিশেষ অভিযানে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১ হাজার ৪৩ জন বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। আটকদের মধ্যে সাড়ে চারশ জনেরও বেশি বাংলাদেশি প্রবাসী আছেন।
স্থানীয় সময় বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, ১০ ও ১১ আগস্ট দেশজুড়ে পরিচালিত অভিযানে মোট ৩ হাজার ৩০৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও নথিপত্র যাচাই করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৮৮০ জন পুরুষ এবং ১৬৩ জন নারী। তাদের বয়স ১৭ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে নির্ধারিত।
দ্য স্ট্রেইট টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আটকদের মধ্যে মোট ৪৬০ জন বাংলাদেশি। বাংলাদেশিদের মধ্যে ৩৬৯ জন পুরুষ এবং ৯১ জন নারী রয়েছেন। এ ছাড়া ৩২৮ জন ইন্দোনেশীয়, ১৮৬ জন মিয়ানমারের নাগরিক, ৫৫ জন ভারতীয় পুরুষ, ২২ জন নেপালি পুরুষ এবং অন্যান্য দেশের ১৪৩ জন নাগরিককে আটক করা হয়েছে।
জাকারিয়া শাবান বলেন, জনগণের অভিযোগ, ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে প্রাপ্ত তথ্য এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আবাসিক এলাকাগুলোকে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে নির্বচিত করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় কিছু এলাকায় বিদেশিদের অনিয়ন্ত্রিত উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগের কারণে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জাকারিয়া আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ এবং সাধারণ মানুষের উদ্বেগের পর দেশজুড়ে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন পাঁচটিরও বেশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। আটকদের নথিপত্র যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জাকারিয়া জানিয়েছেন।
অভিযানে কয়েকটি শিশুকেও তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে পাওয়া গেছে। চিহ্নিত অপরাধের মধ্যে বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা, পাসের শর্ত লঙ্ঘন এবং স্বীকৃত নয়—এমন কার্ড বহন করা অন্তর্ভুক্ত।
এ ছাড়া অভিযানের সময় ৪৫ জন মালয়েশীয় নাগরিককে সাক্ষী হিসেবে হাজির হওয়ার নোটিশ দেয়া হয়েছে। নথিপত্রহীন বিদেশিদের আশ্রয় দেয়ার অভিযোগে বাড়ি বা সম্পত্তির মালিকদের বিরুদ্ধেও তদন্ত করা হবে।
নথিপত্রহীন বিদেশিদের চলমান মাইগ্র্যান্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রামের সুবিধা নেয়ার আহ্বান জানান জাকারিয়া। এই কর্মসূচির আওতায় তারা স্বেচ্ছায় ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে আত্মসমর্পণ করে ৫০০ মালয়েশীয় রিঙ্গিত জরিমানা দিয়ে নিজেদের দেশে ফিরতে পারবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন