প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিফার ভবিষ্যৎ নিয়ে এশীয় ফুটবলের অভ্যন্তরে বাড়তে থাকা মতপার্থক্য এবার প্রকাশ্যে এসেছে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বিষয়ক উয়েফা ও কনকাকাফ-এর সঙ্গে যোগ দেওয়ার বিষয়ে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন-এর নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে কাতার।
দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হামাদ বিন খলিফা আল-থানি, এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফাকে এক চিঠিতে জানিয়েছেন, সোমবার তিনটি কনফেডারেশনের সদস্যদের পক্ষ থেকে যৌথভাবে কথা বলার দাবি জানিয়ে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু ওই সময় তারা কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো পরামর্শ করেনি।
আগামী বছর পুনর্নির্বাচনের অপেক্ষায় থাকা ইনফান্তিনো বর্তমানে প্রচণ্ড বিরোধীতার মুখে রয়েছেন। বিশ্বকাপসহ ফিফার একটি স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি চাপের মধ্যে রয়েছেন। উয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফ তাকে নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে এবং তার পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে।
রয়টার্সে প্রকাশিত একটি চিঠিতে এএফসি-র নির্বাহী কমিটি ও ফিফা কাউন্সিলের সদস্য আল-থানি লিখেছেন, সবার সম্মিলিত মতামত আগে নিশ্চিত করতে হবে; এটি কেবল অনুমান করে নেওয়া যায় না কিংবা কোনো ঘোষণার মাধ্যমে তা তৈরি করা সম্ভব নয়।
তিনি এএফসি-র কাছে জানতে চেয়েছেন, এ বিষয়ে কী ধরনের আলোচনা বা পরামর্শ করা হয়েছিল এবং কোন ভিত্তিতে তারা নিজেদের ৪৭টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের হয়ে সম্মিলিতভাবে কথা বলার অধিকারী মনে করেছে। যদিও রয়টার্সের পক্ষ থেকে এএফসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে চলমান লড়াইয়ের সংকটময় মুহূর্তে এই পদক্ষেপটি এএফসি-র অভ্যন্তরীণ বিভাজনকে সামনে নিয়ে এসেছে। এএফসি সভাপতির কাছে পাঠানো চিঠিতে আল-থানি বলেন, বিবৃতিটি প্রকাশের আগে কিউএফএ বা আমি ব্যক্তিগতভাবে কারও সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করিনি।
এতে আরও বলা হয়েছে, এএফসি-র নাম ও সদস্যদের পক্ষ থেকে এটি জনসমক্ষে প্রকাশের আগে কোনো আগাম নোটিশ দেওয়া হয়নি। কোনো খসড়া বিতরণ করা হয়নি এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে মন্তব্য বা মতামত প্রদান করার কোনো সুযোগও দেওয়া হয়নি।
ব্যর্থ ব্যক্তিগত বিনিয়োগ প্রস্তাবের কারণে ফিফা যখন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময় কাতার ও ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক মরক্কোসহ ছয়টি আরব দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধানরা ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। এরপরই এই চ্যালেঞ্জটি সামনে এসেছে।
স্বাক্ষরকারী ছয়জনের মধ্যে চারজন আল-থানি, মিশরের ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান হানি আবু রিদা, মরক্কোর ফৌজি লেকজা এবং মৌরিতানিয়ার আহমেদ ইয়াহইয়া ফিফা কাউন্সিলের সদস্যও। তারা বলেছেন, বিশ্বজুড়ে ফুটবলের অগ্রগতি, সব অঞ্চলে সুযোগের সম্প্রসারণ এবং মানুষ ও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে একত্রিত করার ক্ষেত্রে খেলার ভূমিকা জোরদারে ইনফান্তিনোর ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকে আমরা গভীরভাবে সাধুবাদ জানাই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন