প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুড়িগ্রামে তিস্তা, ধরলা,দুধকুমার এবং ব্রহ্মপুত্রসহ সবকটি নদ নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে।গত তিন দিন ধরে নতুন করে এসব নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। আজ বুধবার তিস্তা নদীতে পানি বেড়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, ২৪ ঘণ্টায় রাজারহাটে তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানির স্তর ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং দুধকুমার নদী ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তাছাড়া, ধরলা নদীর শিমুলবাড়ি ও সেতুপয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদীর হাতিয়া,চিলমারী ও নুনখাওয়া পয়েন্টে পানি বেড়ে বিপদসীমার ৩৫ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে, বর্তমানে সবকটি নদনদীর পানি দ্রুত বাড়ছে।
তবে স্থানীয় পাউবো জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি বেড়ে আবার কমতে শুরু করবে। ফলে এসব নদনদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে পানি উঠে প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এই সব এলাকার বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করছে এবং তলিয়ে যাচ্ছে এসব এলাকার নতুন নতুন ফসল। কৃষকরা এই পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।
এদিকে, তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি কমা ও বাড়ার ফলে নদীতে ভাঙন দেখা দিচ্ছে। জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙার রামহরি ও বুড়িরহাট বাজার, উলিপুরের হাতিয়া, দাগারকুটি, চিলমারীর রানীগঞ্জের কাচকল, সদর উপজেলার চর যাত্রাপুরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। জেলা ও উপজেলা পাউবো জিও ব্যাগ ফেলে নদী ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করছে, কিন্তু স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, তা বেশিরভাগ সময় কার্যকর হয় না।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, বর্তমানে নদনদীর পানি কমা এবং বেড়ে যাওয়ার কারণে ৩৮টি স্থানে নদী ভাঙনের ঘটনা ঘটছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন