প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিফার প্রধান রেফারি পিয়েরলুইজি কোলিনা এই বিতর্কিত ম্যাচ নিয়ে কড়া বিবৃতি দিয়েছেন। ৯ জুলাই, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রসঙ্গে বলার সময় তিনি জানান, আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত কামব্যাকের পর রেফারিং নিয়ে উঠেছে বিতর্ক। ম্যাচটি জয়ের মাধ্যমে আর্জেন্টিনা আলোচনা তৈরি করেছে, কিন্তু সেই সঙ্গে রয়েছে রেফারিদের দায়িত্ব পালনে পক্ষপাতিত্বের গুরুতর অভিযোগ।
কোলিনা আরও বলছেন, ফুটবলে "ভিত্তিহীন অভিযোগের" কোনও জায়গা নেই। ইনসাইড ফিফা ডট কমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বিস্তারিতভাবে আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের সব সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা করেছেন। তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, ম্যাচে রেফারির কোনও ভুল হয়নি।
বিশ্বকাপের ম্যাচ অফিশিয়ালদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত নয়। কারণ এতে রেফারি ও তাঁদের পরিবারের উপর হুমকি আসতে পারে, যা অপরিকল্পিত। ভবিষ্যতে এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য তিনি সতর্ক করেছেন।
ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনোর হস্তক্ষেপের তত্ত্বও তিনি খারিজ করেছেন। কোলিনা দাবি করেন, ফিফার রেফারিং কারও দ্বারা প্রভাবিত হয় না এবং ফিফা প্রেসিডেন্ট সবসময় রেফারিদের স্বাধীনতার অন্তরে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন।
মিসর-ম্যাচের বিতর্ক ফুটবল বিশ্বে তৈরি করেছে। কোলিনা মতে, গোল হওয়ার আগে আক্রমণের সময় বল দখলের পরিধি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, "প্রতিটি গোলের পরে ভিএআর আক্রমণ মূল ঘটনা পর্যালোচনা করে। গোল হওয়ার আগে ফাউল হলে ভিএআর রেফারিকে রিভিউ করার নির্দেশ দেয়।"
বিখ্যাত মোস্তফা জিকোর বাতিল গোলের প্রসঙ্গে কোলিনা উল্লেখ করেন, "মারোয়ান আতিয়া আর্জেন্টিনার মার্তিনেজের পা মাড়িয়ে গেছে। আমাদের কাছে ফাউল ফাউলই।"
শুধু তাই নয়, ম্যাচের শেষের দিকে মোহাম্মদ সালাহর পেনাল্টির দাবিতে কোলিনা এই সিদ্ধান্তটিও সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, "ফুটবলের স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী, যদি ডিফেন্ডার আগে বল স্পর্শ করেন তবে তা ফাউল নয়।" সালাহ এবং আলভারেজের সংঘর্ষের ঘরেও তিনি ফুটবলের স্বাভাবিক শারীরিক লড়াই হিসেবে এটি গণ্য করেছেন। এমনকি সিদ্ধান্তে কিছুটা ব্যক্তিনিষ্ঠতা থাকতে পারে, কিন্তু ফিফা নিয়মের সমতা নিয়ে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন