প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খাগড়াছড়িতে বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে জেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে। জেলা প্রশাসন জানায়, খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটি ও মহালছড়ির যোগাযোগ এবং দীঘিনালার সঙ্গে সাজেক ও লংগদু উপজেলার যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন আছে। এছাড়াও, আশ্রয় কেন্দ্রগুলো থেকে কিছু লোক খাগড়াছড়ির বাড়িঘরে ফিরলেও, স্থানীয় লোকজন দুর্ভোগে পড়ছে।
কৃষি বিভাগের উপপরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানান, দীঘিনালায় মাইনি নদীর পানি বর্তমানে অপরিবর্তিত থাকলেও, চেংগী নদীর পানি নামতে শুরু করেছে।
তিনি আরও জানান, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আউশ ধান ১৩৮ হেক্টর, আমান বীজ তলা ২০২ এবং ১৪৩ হেক্টর সবজি ক্ষতি হয়েছে। খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটি ও মহালছড়ির যোগাযোগ এবং দীঘিনালার সঙ্গে সাজেক ও লংগদু উপজেলার যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন আছে।
এদিকে, বৃষ্টিপাত থেমে থেমে অব্যাহত থাকায় আবারও বাড়তে পারে চেঙ্গী ও মাইনি নদীর পানি। খাগড়াছড়ি সদর ও দীঘিনালা উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রামে এখনও পানি জমে রয়েছে। অনেক পরিবার এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
এরই মধ্যে খাগড়াছড়ির শালবন, সবুজবাগ, কুমিল্লা টিলাসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়িতে মোট ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলোতে দুর্গত মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। একইভাবে জেলা পরিষদ ও জেলা বিএনপিও পৃথকভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন