প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সময় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভারত উল্লেখযোগ্যভাবে তার আমদানির উৎস বৃদ্ধি করেছে, এমন তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
মোদি বলেছেন, “সংকট শুরুর আগে ভারত ২৫-২৬টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করলেও পরে সেই সংখ্যা ৪০টিরও বেশি দেশে পৌঁছেছে।”
এছাড়া, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে ভারতের তেল কোম্পানিগুলো ৭৫ হাজার কোটিরও বেশি রুপি ক্ষতির মুখে পড়েছে বলেও জানান মোদি।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালী ঘিরে সৃষ্ট বিশ্বের অন্যতম বড় জ্বালানি সংকটের সময় ভারতের নাগরিকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়েই পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে।
শনিবার রাজস্থানের বালোত্রা জেলার পাচপাদরায় একটি তেল শোধনাগারের উদ্বোধন এবং কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মোদি আরও বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্য বেড়ে যাওয়ার ফলে এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে ভারতের তেল কোম্পানিগুলোর ৭৫ হাজার কোটি রূপি ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু সেই চাপ সরকার বহন করেছে।
তিনি বলেন, “আমরা প্রতি লিটারে ১০ রুপি আবগারি শুল্ক কমিয়েছি, ফলে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়েনি।”
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এ সময়ে নানা গুজব ছড়ানো হয়েছিল এবং মানুষকে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে যারা ভারতের ব্যর্থতা দেখতে চেয়েছিল, তারা সফল হয়নি।
তার ভাষায়, “যারা ভারতের ব্যর্থতা দেখতে চেয়েছিল, তারা নানা ভবিষ্যদ্বাণীও দেওয়া শুরু করেছিল। আজ তারা চরম হতাশায় ডুবে আছে।”
মোদি আরো বলেন, বর্তমানে তেল শোধন সক্ষমতায় ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ এবং এ সক্ষমতা উন্নত করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও দাবি করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও সারের সরবরাহে যে সংকট তৈরি হয়েছিল, তা মোকাবিলায় তার সরকারের দীর্ঘমেয়াদি নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
মোদি আরও বলেন, ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের আত্মমর্যাদা তখনই অটুট অবস্থায় থাকে, যখন তারা আত্মনির্ভরশীল হয়। তিনি বলেন, বিজেপি সরকার শুধু প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দায়িত্ব শেষ করে না, আমরা দিন-রাত কাজ করি যাতে প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হয়। সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন