প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেকের স্বাক্ষর জাল করে মিউটেশন জালিয়াতির অভিযোগে পুলিশে আটক করা হয়েছে কে এম প্রিন্স (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে। তিনি একজন দলিল লেখকের সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ম্যাকটেন হোল্ডিং লিমিটেড নামক একটি কোম্পানির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাম্মী আক্তারের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে কলাপাড়া উপজেলা ভূমি অফিস থেকে প্রিন্সকে আটক করা হয়। প্রিন্স পৌর শহরের এতিমখানা এলাকার বাসিন্দা।
ম্যাকটেন হোল্ডিং লিমিটেডের এইচআর এডমিন নিবির জানান, প্রিন্স মিয়া তাঁর কাছে মিউটেশনের দুটি কাগজ দিয়ে কোম্পানিকে আপাতত না জানাতে নিষেধ করেন। তখনই নিবিরের সন্দেহ হয় এবং তিনি কোম্পানির উপপরিচালক শাম্মী ম্যাডামের কাছে কাগজপত্র জমা দেন।
উপপরিচালক মোসা. শাম্মী আক্তারের অভিযোগ, প্রায় ৩ মাস আগে তিনি প্রিন্সের কাছে ৫৬ নম্বর জেএল খাজুরা মৌজার ৭টি দলিলের মিউটেশন করার কাগজপত্র জমা দেন। পরে প্রিন্স দুটি দলিলের মিউটেশন সম্পন্ন হওয়ার কাগজ শাম্মীর কাছে জমা দিলে তিনি কিউআর কোড সার্চ করে দেখতে পান যে, মিউটেশন দুটি ভুয়া। এছাড়া, ওই মিউটেশনে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষরের স্ক্যান কপি বসানো ছিল। এর পর আজ রবিবার দুপুরে এসিল্যান্ড অফিসে উপস্থিত হয়ে তিনি থানায় মৌখিক অভিযোগ করেন এবং প্রিন্সকে হাতেনাতে ধরিয়ে দেন।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক বলেন, এভাবে জালিয়াতি চক্রের প্রতারণার কারণে বিনিয়োগকারীরা কুয়াকাটা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তিনি জানান, তাঁর কাছে অন্তত ২৭টি জালিয়াতি ধরা পড়েছে এবং এসব জালিয়াতির বিরুদ্ধে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এ ধরনের জালিয়াতি ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৪ ও ৫ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন