প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
৭৫ বছর বয়সী আবু তাহের মজুমদার ছেলের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে থানায় গিয়েছিলেন। তার হাতে ছিল একটি লিখিত অভিযোগ। কিন্তু পুলিশের কাছে অভিযোগটি জমা দেওয়ার পূর্বে হঠাৎ তিনি থানার প্রধান ফটকের সামনে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনা ঘটেছে শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার সামনে। নিহত আবু তাহের মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাংপাই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবু তাহের তার ছেলের নাম শহিদুল ইসলাম শরীফের বিরুদ্ধে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ জানাতে থানায় এসেছিলেন। থানার পাশে একটি দোকান থেকে তিনি লিখিত অভিযোগ তৈরি করে আনেন। অভিযোগের কপি হাতে নিয়ে থানায় ঢোকার সময় তিনি প্রধান ফটকের কাছে হঠাৎ পড়ে যান।
পুলিশ সদস্য ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আবু তাহেরের সঙ্গে শ্বাসকষ্টের কারণে ব্যবহৃত একটি ইনহেলার ছিল। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আবু তাহেরের ছেলে শরীফ মাদকাসক্ত ছিলেন এবং তিনি বাবাকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। শনিবার সকালে তাকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রতিবেশীরা পরে তাকে উদ্ধার করেন। স্থানীয়দের মতে, তিনি ছেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশায় থানায় এসেছিলেন।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসাইন বলেন, থানায় অভিযোগ দিতে এসে গেটের সামনে পড়ে যাওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আরো জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন