প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনায় শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্বেগজনক হারে সমকামিতা বাড়ছে। ইতোমধ্যেই এ সংখ্যা ১৬শ জনের ওপরে ছাড়িয়ে গেছে। এর ফলে, জেলায় এইচআইভি এইডস রোগও আশঙ্কাজনক হারে ছড়াচ্ছে। পাবনায় বর্তমানে ১৬ জনের শরীরে এইচআইভি এইডস শনাক্ত করা হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক কর্মশালায় হাসপাতালের ‘কী পপুলেশন্স-কেপি সেন্টারের’ পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। 'বাংলাদেশে মানবাধিকার ও এইচআইভি : গণমাধ্যমের ভূমিকা' শীর্ষক কর্মশালায় পাবনা জেলার এইচআইভি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়াদি আলোচনা করা হয় এবং করণীয়গুলো তুলে ধরেন পাবনা জেনারেল হাসপাতালের কেপি সেন্টারের ফোকাল পার্সন ডা. মনিরুজ্জামান এবং সেন্টার ম্যানেজার ডা. আহসানুল কবির। কর্মশালায় বলা হয়েছে যে, পাবনায় শিরায় মাদকগ্রহণকারী, নারী যৌনকর্মী, পুরুষ যৌনকর্মী, সমকামী এবং হিজরা জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে এইচআইভি ছড়াচ্ছে। পাবনায় ১৬১৫ জন সমকামী, ৭৬৫ জন নারী যৌনকর্মী, ৯০৮ জন পুরুষ যৌনকর্মী, ১১০ জন হিজড়া এবং ৪৮৪ জন শিরায় মাদকগ্রহণকারী শনাক্ত করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৬ জনের শরীরে এইচআইভি এইডস শনাক্ত হয়েছে যাদের মধ্যে ৭ জন সমকামী। কর্মশালায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রফিকুল হাসান, পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, পাবনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, কোষাধ্যক্ষ প্রবীর কুমার সাহা সহ জেলার ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও ডিজিটাল গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন