প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি অনেক বেশি স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেছেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। তিনি বলেছেন, বিগত ১৭ বছরের তুলনায় বর্তমানে পত্রিকার পাতায় গুম, খুন ও ব্যাংক লুটের খবর নেই।
গতকাল বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে এবং আজ বৃহস্পতিবার ভোলা সদরের ইলিশা ও রাজাপুরের নদীভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।
ব্যারিস্টার পার্থ আরও বলেন, ‘গত সাড়ে চার মাসে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কোনো গুম, খুন, হয়রানি ও রাজনৈতিক মামলা বা রাষ্ট্রীয়ভাবে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ ওঠেনি।’
তিনি আরও জানান, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় মদদে গুম-খুন বা বড় ধরনের দুর্নীতি হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ব্যক্তিগতভাবে যদি কেউ অনিয়ম করে, তার বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।
ভোলার শিল্পায়নের সম্ভাবনার কথাও তিনি তুলে ধরেন। সংসদ সদস্য বলেন, ‘শুধু গ্যাস থাকলেই শিল্প গড়ে ওঠে না। ভোলা-বরিশাল সেতুসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, আইনশৃঙ্খলা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের লক্ষ্য ভোলাকে একটি শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা এবং এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করবে।’
ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে এমপি পার্থ মন্তব্য করেন, ‘সরকার নীতিগতভাবে সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে ডিপিপি অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে। এরপর পিপিপি পদ্ধতিতে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নেয়া হবে। একইভাবে ভোলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপনেও সরকার কাজ করছে।’
নদীভাঙন বিষয়ে তিনি জানান, ‘ভোলার শিবপুর, ইলিশা ও রাজাপুর এলাকার ভাঙন উদ্বেগজনক। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাংকের একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে; তবে কাজের গতি আরও বাড়ানোর প্রয়োজন বলে মনে করছেন। নদীর গতিপ্রকৃতি ও কারিগরি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।
এর আগে ভোলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে পার্থ সাংবাদিকদের জানান, হাসপাতালে চিকিৎসক, পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ জনবলের সংকট এবং ওষুধের বিষয়েও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার দাস, সিভিল সার্জন ডা. মনিরুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নেতাকর্মীরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন