প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রেখে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি, তিনি পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রণাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধ করে এ দেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন।
শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে নোয়াখালীর চৌমুহনী পাবলিক হল চত্বরে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আয়োজিত সমাবেশে বরকত উল্লাহ বুলু এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে যেসব মানুষ পৌরসভার কাউন্সিলর হওয়ার যোগ্যতা রাখতেন না, তারাই মেয়র হয়েছিলেন। যারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার যোগ্যতা রাখেননি, তারাও এমপি হয়ে গেছেন। এইসব অযোগ্য জনপ্রতিনিধিরা দলীয় পরিচয়ে নিজেদের প্রয়োজনে মাদকসেবী, মাদক বিক্রেতা, কিশোর গ্যাং এবং অস্ত্রধারীদের নিয়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলে। এতে করে দেশ বিভিন্ন অঞ্চলে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি, মাদক, ইভটিজিং, জমি দখল, জবর দখল, মদ, জুয়া, ও কিশোর গ্যাংসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। এর মাধ্যমে পুরো দেশ এক অপরাধের স্বর্গ রাজ্যে পরিণত হয়েছে।
বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, যারা অস্ত্র ব্যবসা করেন, অস্ত্র দিয়ে ডাকাতি করেন এবং মানুষ খুন করেন, তাদের উদ্দেশে স্পষ্ট করতে চাই, প্রয়োজনে সামরিক বাহিনী দিয়ে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’- এর মতো আরেকটি অভিযান পরিচালনা করা হবে। বেগমগঞ্জে কোনো অস্ত্র ব্যবসায়ী বা অস্ত্রধারীর স্থান হবে না। এসব অপরাধে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা যারা জনপ্রতিনিধি আছি, আমাদের সঙ্গে অনেক সময় অস্ত্রধারী, মাদক ব্যবসায়ী বা সন্ত্রাসীরাও ছবি তুলতে পারে, তবে আমরা তো সবাইকে চিনি না। সে যেই হোক না কেন, সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় হবে না। তাই অস্ত্র ও মাদক নির্মূলে আমাদের সামাজিকভাবে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
এই সমাবেশে বরকত উল্লাহ বুলু আলেম সমাজ, মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মাদকের সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ জাতীয় বাজেট ঘোষণা করেছে। এই বাজেট বাস্তবায়নের জন্য আমাদের সর্বপ্রথম সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও কিশোর গ্যাং নির্মূল করতে হবে। এসব অপরাধ দমনে প্রশাসনকে আরও দ্রুত গতিশীলভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে বক্তব্য রেখেছেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির নেত্রী শামীমা বরকত লাকী, চৌমুহনী পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক জহির উদ্দিন হারুন, বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মাহফুজুল হক আবেদ, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সম্পাদক শাহ আব্দুল্লাহ আল বাকি, চৌমুহনী পৌরসভা বিএনপির সদস্যসচিব মহসিন আলম, বিএনপি নেতা মোরশেদুল আমিন ফয়সাল মিয়া এবং যুবদল নেতা রুস্তম আলী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন