প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে কানাডায় পর্যটন খাতে ব্যাপক স্থবিরতা নেমে এসেছে। দেশের এই মৌসুমে, যা সাধারণত সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়, পর্যটন ও ভ্রমণখাতের চিত্র এ বছর একেবারেই ভিন্ন।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রভাব কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন ভিসা সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বিদেশগামী পর্যটকের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে, এবং ম্যন ট্রাভেল এজেন্সি ও পর্যটন খাতেও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধির কারণে আন্তর্জাতিক রুটে বিমান ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছু গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট সীমিত হওয়ায় টিকিট সংকটও তৈরি হয়েছে।
সীমিত ভিসা সুবিধা এবং আকাশছোঁয়া বিমান ভাড়ার কারণে দেশ-বিদেশ ভ্রমণ খাত ও পর্যটন খাতে বড় ধরনের মন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মতে, জনপ্রিয় অনেক গন্তব্যে ভিসা জটিলতা বাড়ার কারণে মধ্যবিত্ত ভ্রমণকারীরা বিদেশ সফর করতে কম দিচ্ছেন।
ভ্রমণকারীদের অনেকের অভিযোগ, ভারত, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে ভিসা প্রক্রিয়া কঠিন হয়ে গেছে। উজবেকিস্তান, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার মতো নতুন গন্তব্যগুলোতে ভিসা সুবিধা সীমিত করা হয়েছে। থাইল্যান্ডের ভিসা পেতে দীর্ঘ সময় লাগছে এবং অনেক আবেদন বাতিল হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে স্কুল বন্ধ থাকায় প্যারেন্টসরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভ্রমণের জন্য বের হয়। কিন্তু বর্তমানে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি এবং বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে এ বছর বেশিরভাগ পরিবার তাদের ভ্রমণ স্থগিত করাতে বাধ্য হয়েছে। এমনকি কানাডার অভ্যন্তরীণ রুটগুলোতেও ব্যক্তিগত ভ্রমণ স্থগিত রাখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে পর্যটন ও ভ্রমণখাতের মন্দা দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে আড়ালে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন