প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজ প্রায় এক দশকের প্রেমের সম্পর্ককে বিয়ের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত পরিণতি দিয়েছেন। গত ১১ আগস্ট তারা নিজেদের পাঁচ সন্তান ও কাছের মানুষের উপস্থিতিতে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে সম্পন্ন করেন। তাদের বিয়ের আর্থিক শর্ত নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
মেক্সিকান প্রকাশনা ‘এন পারেজা’র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রোনালদো ও জর্জিনার বিয়ের কাঠামো হলো ‘সম্পত্তি পৃথকীকরণ’। এর মানে হলো, বিয়ের আগে ও পরে তাদের অর্জিত সম্পদ, আয় ও বিনিয়োগের ওপর আলাদা মালিকানা থাকবে। কোনো পক্ষের সম্পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য পক্ষের সঙ্গে ভাগ হবে না।
এই ব্যবস্থায় রোনালদোর সকল ফুটবল চুক্তি, এন্ডোর্সমেন্ট, ব্যবসা এবং সৌদি প্রো লিগ থেকে উপার্জিত আয় রোনালদোর নিজের সম্পত্তি হিসেবে থাকবে। একইভাবে, জর্জিনার নিজস্ব সম্পদের ওপরও তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
তবে বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে জর্জিনার জন্য কিছু বিশেষ আর্থিক সুবিধার কথাও উঠে এসেছে। পর্তুগিজ ম্যাগাজিন ‘টিভি গুইয়া’র প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিচ্ছেদ হলে রোনালদোর কাছ থেকে প্রতি মাসে ১ লাখ ইউরো ভাতা পাওয়ার শর্ত রয়েছে জর্জিনার জন্য।
এতে আরও বলা হয়েছে, বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে মাদ্রিদের অভিজাত এলাকা লা ফিনকার বিলাসবহুল বাড়িটিরও পূর্ণ মালিকানা জর্জিনার হওয়ার কথা। ওই বাড়িটির বর্তমান মূল্য ৫০ লাখ ডলারের বেশি বলে প্রতিবেদনটি দাবি করেছে।
অর্থাৎ, তাদের বিয়ের এটি সম্পত্তি পৃথকীকরণ ব্যবস্থা হলেও বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে জর্জিনার জন্য একটি আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার শর্ত রাখা হয়েছে। ফলে, সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও বিয়ের চুক্তিতে জর্জিনার জন্য কার্যত বড় ধরনের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে।
রোনালদো-জর্জিনার বিয়েতে তাদের পাশাপাশি পাঁচ সন্তানও উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া, বিয়ের সাক্ষী হিসেবে ছিলেন রোনালদোর ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিগুয়েল পাইসাও এবং জর্জিনার বোন ইভানা রদ্রিগেজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন