প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরাক থেকে সব সেনা সরিয়ে নেবে। সেনা প্রত্যাহারের ফলে দেশটিতে ২৩ বছরের মার্কিন উপস্থিতির অবসান ঘটছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ওয়াশিংটন সফরে যাওয়া ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ প্রতিশ্রুতির কথা জানান। এ খবরটি প্রকাশ করেছে আলজাজিরা।
২০০৩ সালে ইরাকে সাদ্দাম হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অভিযান শুরু করে। সাদ্দামের পতন ঘটলেও মার্কিন সেনারা ইরাকে রয়ে গিয়েছিল।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা আইএসবিরোধী অভিযান শেষ করার জন্য ইরাকের সঙ্গে ২০২৪ সালে সই হওয়া চুক্তির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। চুক্তির সময়কালের মধ্যে ইরাকে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল।
এ দিকে, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তিনি হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। ট্রাম্প ইরাকের প্রধানমন্ত্রীকে পাশে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের জানান, আমরা মনে করি না সেখানে (ইরাক) আমাদের সামরিক বাহিনী রাখার আর প্রয়োজন আছে। তিনি ইরাকের সঙ্গে মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরাক ছেড়ে আসবে, তবে মার্কিন কোম্পানিগুলো ইরাকে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের মধ্যে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসেও বেশ কয়েকটি হামলা হয়েছে। ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ মার্কিন ঘাঁটি ও কূটনৈতিক মিশনগুলোতে এসব হামলার দায় স্বীকার করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন