প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বার্সেলোনার জন্য নতুন বাধার সম্মুখীন হয়ে পড়েছে তারা স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিকে দলে ভেড়ানোর প্রক্রিয়ায়। কাতালান ক্লাবটির পক্ষ থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে পাঠানো দ্বিতীয় প্রস্তাবটিও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৬০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও ইংলিশ ক্লাবটি একে পর্যাপ্ত মনে করেনি।
এর আগে স্প্যানিশ তারকার জন্য প্রথম দফায় বার্সেলোনা ৪৫ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব করেছিল, যা সিটি কর্তৃপক্ষ সরাসরি নাকচ করে দেয়। পরবর্তী সময়ে সেই প্রস্তাবটিকে বাড়িয়ে ৬০ মিলিয়ন ইউরো করা হলে সিটির মন গলাতে পারেনি। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রদ্রির ট্রান্সফার ফি বাবদ অন্তত ৭০ মিলিয়ন ইউরো এবং অতিরিক্ত অ্যাড-অনস দাবি করছে ম্যানচেস্টার সিটি।
বার্সেলোনা তাদের প্রস্তাব উন্নত করলেও সিটির দাবীকৃত ৭০ মিলিয়ন ইউরো এবং অ্যাড-অনসের অঙ্কের সঙ্গে কিছুটা ব্যবধান রয়ে গেছে। বর্তমানে রদ্রির সঙ্গে ম্যানচেস্টার সিটির চুক্তির মেয়াদ আর মাত্র এক বছর বাকি রয়েছে। যদি দুই পক্ষ নতুন চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে আগামী গ্রীষ্মে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে কোন ট্রান্সফার ফি ছাড়াই ক্লাব ছাড়তে পারবেন এই স্প্যানিশ তারকা।
চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চললেও রদ্রির মূল্য কমাতে নারাজ সিটি। ক্লাবের কাছে তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। মাঠের অভিজ্ঞতা ও দলের সাফল্যে অবদানের কারণে ইংলিশ ক্লাবটি কাঙ্ক্ষিত অর্থ আদায়ে অনড় রয়েছে। দুই ক্লাবের চাওয়ার মধ্যে আর্থিক ব্যবধান থাকলেও রদ্রিকে নিয়ে হানসি ফ্লিকের দলের আগ্রহ একটুও কমেনি। বরং এই ট্রান্সফারে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো খেলোয়াড়ের নিজের অবস্থান। স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডার নিজে বার্সেলোনাতে যোগ দিতে অত্যন্ত আগ্রহী।
চুক্তির শেষ ১২ মাসে প্রবেশ করার কারণে এবং রদ্রির ব্যক্তিগত ইচ্ছা—এই দুই বিষয় বার্সেলোনাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। কাতালান ক্লাবটি আশা করছে, খেলোয়াড়ের নিজে ইচ্ছা শেষ পর্যন্ত ম্যানচেস্টার সিটির অবস্থান নরম করতে এবং ট্রান্সফার সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন