প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্ব ফুটবলে আর্জেন্টিনা যেমন সফলতার একটি প্রতীক, তেমনি তাদের ইতিহাসে কিছু বড় ব্যবধানে পরাজয়ের স্মৃতিও রয়েছে। বিভিন্ন সময় শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তারা বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে, যা আজও ফুটবল আলোচনায় উঠে আসে।
আর্জেন্টিনার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরাজয়গুলোর একটি ঘটে ১৯৮৫ সালে, যখন কোপা পাজ দেল চাকো টুর্নামেন্টে বলিভিয়ার কাছে ১১–১ গোলে হারে আর্জেন্টিনা (এটি মূলত আর্জেন্টিনার ‘বি’ দল ছিল)। পরবর্তীতে ২০০৯ সালের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে লা পাজে আর্জেন্টিনাকে ৬–১ গোলে আবারও পরাজিত হতে হয়।
দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দল উরুগুয়ে ১৯৪০ থেকে ৫০ দশকের মধ্যে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে একাধিক বড় জয় অর্জন করেছে, যার মধ্যে ৬–১ ব্যবধান অন্যতম। পেরুও ১৯৫০-এর দশকে আর্জেন্টিনাকে ৬–০ গোলে পরাজিত করার রেকর্ড গড়ে।
চিলি ১৯৮০ সালের দিকে আর্জেন্টিনাকে ৬–১ ব্যবধানে হারিয়ে একটি বড় চমক দেখায়। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ১৯৬২ সালে একটি হাই-স্কোরিং ম্যাচে আর্জেন্টিনা ৫–৪ গোলে পরাজিত হয়।
ইউরোপের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বড় ব্যবধানে জয় প্রাপ্ত কিছু শক্তিশালী দলও রয়েছে: জার্মানি, যারা বিশ্বকাপ এবং প্রীতি ম্যাচে একাধিকবার জয় পেয়েছে (যেমন ১৯৫৮ সালে ৮-০, এবং পরবর্তীতে ৬-০ প্রকারের ফলাফল ঐতিহাসিকভাবে উল্লেখযোগ্য)। সুইজারল্যান্ডও ১৯৭৫ সালে ৫-২ ব্যবধানে জয় পায়।
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো আধুনিক যুগে আর্জেন্টিনা বড় ব্যবধানে খুব কমই পরাজিত হয়েছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলও বিভিন্ন সময়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বড় জয় অর্জন করেছে। বিশেষ করে ১৯৭৭ সালে ৫–০ এবং ১৯৯৬ সালে ৬-২ ব্যবধান উল্লেখযোগ্য।
আর্জেন্টিনা ফুটবল ইতিহাসে সফলতম দলগুলোর একটি হলেও, তাদের অতীতের পরাজয়গুলোও বেশ বৈচিত্র্যময়। বিশেষ করে দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে কিছু বড় হার আজও আলোচনায় উঠে আসে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন