প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারি হাসপাতালে চাকুরি করেও প্রাইভেট হাসপাতালের মালিকানা থাকার অভিযোগের প্রমাণ মেলায় বিভাগীয় মামলা হয়েছে নওগাঁর পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারী) ডা. মো. নাদিম সরকারের বিরুদ্ধে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানা থাকায় এই মামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। তিনি এর আগে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন ও তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই বিভাগীয় মামলা করেছে। জানা যায়, সরকারি চাকুরি করলেও ডা. নাদিম সরকার দীর্ঘদিন ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের উল্টো দিকে রাস্তার ওপারেই গড়ে উঠা ম্যাক্স হাসপাতালে মালিকানা রয়েছে। এনিয়ে সম্প্রতি আরও কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। ডা. নাদিম সরকারের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেন।
এনিয়ে গত ১৬ আগস্ট এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী সাক্ষর করেছেন। প্রজ্ঞাপনে তাকে পত্রপ্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত অথবা উপযুক্ত দণ্ড প্রদান করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
এবিষয়ে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারী) ডা. মো. নাদিম সরকার বলেন, ম্যাক্স হাসপাতালে মালিকানায় শেয়ার থাকা সকল চিকিৎসকের বিরুদ্ধেই মামলা হয়েছিল৷ আমিই শুধু বাদ ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে হওয়া বিভাগীয় মামলার বিষয়ে লিখিত জবাব দিয়েছি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন