০৫:০৪ এম
ডিমের বাজারে হঠাৎ করেই অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। একদিনের ব্যবধানে লাল ফার্মের ডিমের দাম প্রতি ডজন সর্বোচ্চ ২৫ টাকা বেড়েছে। এখন ডজনপ্রতি ১৬০ টাকায় ডিম বিক্রি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটি কিনতে ক্রেতাদের আস্থাহীনতার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। সপ্তাহের প্রথম দিনে রাজধানীর একাধিক বাজার এবং পাড়া-মহল্লার দোকানে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা গেছে।
মধুবাগ বাজারে দুপুর ১২টায় প্রতি ডজন ডিমের দাম ছিল ১৫০ টাকা। তবে বিকাল গড়ানোর সাথে সাথে দাম বেড়ে ১৬০ টাকা হয়ে যায়। একই চিত্র দেখা গেছে কুড়িল বাজারেও। সন্ধ্যা ৭টার পর প্রতি ডজন ডিমের দাম ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা একদিন আগে ছিল ১৩৫ টাকা। মধুবাগ কাঁচাবাজারে ডিম কিনতে আসা মো. হাসিবুল বলেন, অন্য পণ্যের সঙ্গে তিনি ডিম কিনতে এসেছিলেন। যখন বিক্রেতার কাছে দাম জানতে চাইলেন, তখন বিক্রেতা ডজন ১৫০ টাকা চাইলেন। তিনি বললেন, "আমি তো দুই দিন আগেও ১৩৫ টাকায় কিনেছি। এমন কি হয়েছে যে বাজারে ডিমের দাম এক লাফে ১৫ টাকা বেড়ে গেছে।" কিন্তু তিনি জানান, বাজারে ডিমের কোনো ঘাটতি নেই।
এছাড়া কুড়িল বাজারে ডিম কেনার জন্য আসা তানভির বলেন, "বাজারে এসে দেখি দাম আকাশছোঁয়া। বিক্রেতারা ১৭০ টাকা চেয়েছে। পরে ১৬০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে।" তিনি মন্তব্য করেন, "এইভাবে দাম বেড়ে যাওয়া অস্বাভাবিক।" বাজারের বিক্রেতা সোহেল জানান, পাইকারি বাজারে ডিমের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই তাকে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, "লাভ না হলে ব্যবসা করার কি দরকার।"
আরও পড়ুন: ব্রিকসে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির অবিশ্বাস ব্রাজিলের
অন্যদিকে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ২০০ টাকা। সোনালি মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ টাকায়। সব ধরনের মাছের দামও সপ্তাহের মধ্যে ১০-২০ টাকা বেড়ে গেছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরিবের মাছখ্যাত পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৬০ টাকায়। হাফ কেজি ওজনের ইলিশের কেজি দাম রয়েছে ১৫০০-১৬০০ টাকা, তেলাপিয়ার কেজি ২৩০ টাকা, পাবদা ৩৮০, রুই ৩২০-৩৬০, কাতল ৪০০ এবং টেঙরা ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন