প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের অবসানে একটি কাঠামোগত চুক্তিতে (ফ্রেমওয়ার্ক ডিল) সম্মত হলেও, ভবিষ্যৎ আলোচনার প্রেক্ষাপটে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে ইরান।
বৃহস্পতিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, 'আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আলোচনা করা হোক—এটা আমরা মোটেও চাই না। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র নিক্ষেপের জন্য, আলোচনার জন্য নয়। আমাদের দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা কোনোভাবেই, কোনো পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে না।'
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বৃহস্পতিবার ভোরে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেন। এর মাধ্যমে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান আঞ্চলিক যুদ্ধের অবসান ঘটে।
চুক্তির মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং তেহরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়াদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার ভিত্তি তৈরি হলেও, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কোনও উল্লেখ করা হয়নি।
প্রায় ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ব্যাপক হামলার মুখে পড়লেও, তেহরান পুরো সময়জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা জবাব দিতে থাকে।
যুদ্ধের আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছিলেন, ইরানকে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিষয়েও আলোচনা করতে হবে। ওয়াশিংটনের মতে, এই কর্মসূচি ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোর জন্য একটি ভিন্ন হুমকি। তবে ইরান বরাবরই এ কথা বলে এসেছে, যে তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আলোচনার বিষয় নয়।
এদিকে, বুধবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিছুটা নরম অবস্থান প্রকাশ করে বলেন, 'অন্য দেশগুলোর যদি ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তাহলে ইরানের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র থাকাটা অন্যায় হবে না। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং পারমাণবিক অস্ত্র একই বিষয় নয়।'
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন