প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বগুড়ায় সুমন রেজা নামের এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নিজের শ্যালিকাকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর থেকে বগুড়া জেলা পুলিশে কর্মরত এই কনস্টেবল পলাতক রয়েছেন। এজন্য তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১২ জুন) সুমন রেজার স্ত্রী লাবণ্য আক্তার বাদী হয়ে বগুড়ার শাজাহানপুর থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
রোববার (১৪ জুন) শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল সুমনের বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুন বিকেল ৩টার দিকে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে সুমনের ১২ বছর বয়সী শ্যালিকা বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর বাসায় ফিরে আসেনি। নিখোঁজের পরদিন ৮ জুন পরিবার থেকে শাজাহানপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, প্রাইভেটে যাওয়ার পথে কনস্টেবল সুমন রেজা মোটরসাইকেলে ওই কিশোরীকে তুলে নিয়ে যান। এই ঘটনার পর থেকে সুমন রেজা এবং তার শ্যালিকা দুজনই নিখোঁজ রয়েছেন।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, অভিযুক্ত কনস্টেবল সুমন রেজার বিরুদ্ধে এর আগে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপকর্মের অভিযোগ উঠেছিল। গত ১৫ মে সুমন রেজাসহ তিন কনস্টেবল গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ পরিচয়ে বগুড়া চতুর্থ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) কার্যালয়ে যান। সেখানে কর্মরত এপিবিএন সদস্য তানজিমকে ডেকে তার মোটরসাইকেলটি চোরাই বলে দাবি করেন এবং সেটি ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার কথা বলে নিয়ে যান। পরে মোটরসাইকেলটি আর ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় তানজিম বগুড়ার পুলিশ সুপারের কাছে মৌখিক অভিযোগ করলেও পরবর্তীতে লিখিত অভিযোগ না দেওয়ায় সেবার সুমন রেজার বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র আতোয়ার রহমান জানান, কনস্টেবল সুমন রেজা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। শ্যালিকাকে অপহরণের অভিযোগে মামলা হওয়ার পর তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার এবং নিখোঁজ কিশোরীকে উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন