প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশিয়ার কৃষ্ণসাগর উপকূলস্থ জনপ্রিয় পর্যটন শহর গেলেনজিকের কাছে একটি ব্যস্ত সমুদ্রসৈকতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা হয়েছে। এই হামলায় ৪৭ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে অন্তত সাতজন নিহত হয়। এছাড়া আহতদের মধ্যে ৪০ জনের অবস্থা গুরুতর। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে তিনটি শিশু রয়েছে। ক্রাসনোদার ক্রাই অঞ্চলের গভর্নর ভেনিয়ামিন কন্দ্রাতিয়েভ তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় এসব তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি ইউক্রেনকে এই হামলার জন্য দায়ী করেছেন। তবে প্রতিবেদনের লেখা পর্যন্ত ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
স্থানীয় এবং গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ড্রোনটির মূল লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ নভোরোসিস্ক নৌঘাঁটি, যা গেলেনজিক থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ড্রোনটি গেলেনজিকের কাছের আরখিপো-ওসিপোভকা এলাকার একটি ব্যস্ত সমুদ্রসৈকতে আঘাত হানে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেছে বিবিসি ভেরিফাই। সংস্থাটি জানিয়েছে, ভিডিওর অবস্থান শনাক্ত (জিওলোকেশন) করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ঘটনাটি আরখিপো-ওসিপোভকা সৈকতেই ঘটেছে। এছাড়া সময়-সংক্রান্ত বিশ্লেষণ (রিসেন্সি চেক) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) পরীক্ষার মাধ্যমে ভিডিওগুলো সাম্প্রতিক এবং প্রকৃত বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে ড্রোন হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা রাশিয়ার সামরিক স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে বলে মস্কোর দাবি। অন্যদিকে ইউক্রেন সাধারণত নির্দিষ্ট হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করে না। ফলে গেলেনজিকের সমুদ্রসৈকতে সাম্প্রতিক এই হামলার লক্ষ্যবস্তু এবং কীভাবে বেসামরিক এলাকায় প্রাণহানি ঘটল, তা এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন