প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার উদ্দেশ্যে, পাশাপাশি মাদক, চুরি, জুয়া, দালাল চক্র এবং অন্যান্য অপরাধ দমনের জন্য গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি)। অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৩০ জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল রোববার দুপুরে আরপিএমপি’র পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৭ জন হাসপাতাল দালাল চক্রের সদস্য, ১ জন মাদক ব্যবসায়ী, ১১ জন মাদক সেবনকারী, ৫ জন জুয়াড়ি, ২ জন চুরি মামলার আসামি, ১ জন পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং ৩ জন জনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারী রয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ-এর নির্দেশনায় মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে চুরি, মাদক, জুয়া, প্রতারণা, দালালি এবং জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এই ব্যক্তিদের আটক করা হয়।
কোতয়ালী থানার অভিযানে চুরির সঙ্গে জড়িত দুই আসামি গ্রেপ্তার হয়। এ সময় চুরি হওয়া একটি টিউবওয়েল, একটি ফ্যান এবং বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়েছে। একই থানার মাদকবিরোধী অভিযানে ৪০ গ্রাম গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।
তাজহাট থানার পানবাড়ী এলাকায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে পাঁচ জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে তাস, নগদ টাকা এবং বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া জনশৃঙ্খলা ভঙ্গ ও মারমুখী আচরণের অভিযোগে তিনজন এবং মাদক সেবনের দায়ে একজনকে আটক করা হয়েছে।
পরশুরাম থানার অভিযানে দুই মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে ১৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ একজন ব্যক্তিকে আটক করে তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মাহিগঞ্জ থানার অভিযানে চোলাই মদ সেবনের অভিযোগে তিনজন এবং প্রতারণা মামলার এক পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে রোগী ও স্বজনদের হয়রানির অভিযোগে হাসপাতাল দালাল চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। পাশাপাশি মাদক সেবনের দায়ে আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন