প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে গৃহপরিচারিকা নয়নী খাতুনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নোমান নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (০৯ জুন) দুপুরের সময় গ্রেপ্তারকৃত নোমানকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, গতকাল সোমবার (০৮ জুন) রাতে নয়নী খাতুনের স্বজন আকলিমা বেগম শিবগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। পুলিশ বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি নোমানকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি নোমান কানসাট ইউনিয়নের মোহনবাগ এলাকার রইসউদ্দিনের নাতি ও সুমনের ছেলে।
এজাহারে উল্লেখ আছে যে, নোমানের নানা রইসউদ্দিনের বাড়িতে নয়নী খাতুন গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করতেন। একসময় তারা একে অপরের সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এরপর ঘটনাটি নোমানের পরিবারের লোকজন ও অন্যান্য আসামিদের জানার পর তারা সবাই নয়নীর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাতে শুরু করে।
এক পর্যায়ে, গত ১ জুন সোমবার বিকেলে তারা নয়নীকে হত্যা করে এবং তাদের বাড়ির দোতলায় একটি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার একটি নাটক সাজানোর চেষ্টা করে। ঐদিন রাত ১১টার দিকে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ময়নাতদন্ত শেষে দুর্লভপুর শেরপুর ভান্ডার-বিজিপাড়া এলাকায় তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসামিরা নয়নীকে হত্যা করে পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান জানিয়েছেন, নয়নীর নিকটতম আত্মীয় উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের শেরপুর ভান্ডার-বিজিপাড়া গ্রামের মোস্তাকের স্ত্রী আকলিমা বেগম বাদী হয়ে রইসউদ্দিন ও নোমানসহ আটজনের নাম উল্লেখ করেছেন এবং আরো অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, রইসউদ্দিনের বাড়ি মোহনবাগ এলাকা থেকে নোমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাঁকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন