প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নওগাঁ জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে দীর্ঘ কয়েক মাসের অক্লান্ত প্রচেষ্টার পর গ্রেফতার করা হয়েছে ভয়ংকর সাইকো আন্তজেলা সিরিয়াল অপরাধী এবং কিলার গোলাম মোর্শেদ @ মোরশেদ আলমকে।
পুলিশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, নওগাঁ জেলায় ধামইরহাট থানা এলাকায় কলেজ ছাত্রী উম্মে হাবিবার ঘরে একজন অজ্ঞাত অপরাধী বা কিলার গত ১৭ই জানুয়ারি ২৬ তারিখে প্রবেশ করে টিউবয়েলের হাতল দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করে এবং তার মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে সেখানে আরো দুই তিনটি বাসায় চুরির জন্য ঢুকে মহিলাদের মাথায় বাঁশ অথবা ধাতব অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
এরপর মে এবং জুন মাসে একই কায়দায় বদলগাছি থানায় এবং পত্নীতলা থানা এলাকায় চারটি ঘটনার মাধ্যমে ৬ জন মহিলাকে বাঁশ ও ধাতব অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে। এই সময় অপরাধী কিছু টাকা-পয়সা চুরি করে। অজ্ঞাত অপরাধীকে ধরার জন্য পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে নওগাঁ জেলা পুলিশ ব্যাপকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ধরনের অপরাধ দিনাজপুর এবং জয়পুরহাটেও সংঘটিত হয়েছে, যেখানে বেশ কয়েকজন নারী গুরুতর আহত হয় এবং দুইজন নারী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়। নিহত নারীদের হত্যাকাণ্ডেও গোলাম মোর্শেদের সম্পৃক্ত থাকার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
নওগাঁ জেলা পুলিশের পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ক্রমাগত প্রচেষ্টা, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণের ফলস্বরূপ, অবশেষে আন্তজেলা সাইকো অপরাধী এবং কিলার গোলাম মোর্শেদকে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের কাছে তিনি তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন এবং আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন।
নওগাঁ জেলা পুলিশের পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একদল চৌকস অফিসারের কঠোর পরিশ্রম ও নিয়মানুবর্তিতা, ডেডিকেশন এবং অবশেষে এই ভয়ংকর অপরাধী গ্রেফতারের ফলে আমি বিশ্বাস করি, নওগাঁ জেলায় ন্যায় বিচারের পথ আরও প্রশস্ত হবে, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে এবং জনমনে পুলিশের আস্থা দৃঢ় হবে। নওগাঁ জেলা পুলিশ দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করতে চায়, এই ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য তারা সর্বাত্মকভাবে কাজ করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন