প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদ (২৫)। সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই মামলায়, মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও তার উপার্জনে সম্মতি ও অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও আসামি করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম আইডিতে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলোর বিক্রির বিজ্ঞাপন পুলিশের নজরে আসে। অভিযোগ তুলা হয়েছে যে, মোবাইল ফোনভিত্তিক আর্থিক লেনদেনের মাধ্যম, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফির বিনিময়ে এসব কনটেন্ট বিক্রি করা হতো। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পরে প্রযুক্তির সাহায্যে সংশ্লিষ্টদের অবস্থান শনাক্ত করে মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানান, পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে সুমাইয়া একটি চক্র পরিচালনা করতেন। অভিযোগ রয়েছে যে, তার বাবা মেয়ের এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত ছিলেন এবং সেখান থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতেন।
এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত, চক্রটির কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য গ্রেপ্তার দুজনের তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন