প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে, এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
তিনি শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে বুয়েটের অডিটোরিয়ামে ২০২৫-২৬ সেশনের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার সময় এ ঘোষণা দেন।
মাহদী আমিন বলেন, বুয়েটের সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বেশ কিছু অবদান রয়েছে।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে, ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্টের প্রতিটি ক্ষেত্রে বুয়েটের ফ্যাকাল্টি মেম্বারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশ্বের যে কোনও বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনারা যেভাবেই প্রবেশ করবেন, সেখানে আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা শুনবেন।
তিনি আরও বলেন, বুয়েটে ভর্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একটি সত্যিকারের লেগেসি অর্জন করছেন, যেটা বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত। এই ঐতিহ্য বর্তমানে বিশ্বের অনেক বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি জানান, তারা একটি এমন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ার চেষ্টা করছেন যা শুধু সার্টিফিকেট অর্জন নয়, বরং একজন শিক্ষার্থীকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, বুয়েটকে অবশ্যই বড় ভূমিকা নিতে হবে। কারণ, আপনারা আগামী বাংলাদেশের শীর্ষ মেধাবী। গবেষণায় শিক্ষার্থীরা যার কোনা মূল বিষয়, এ ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে তৈরি হতে হবে।
তিনি বলেন, সরকার বুয়েট শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার জন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে। শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন, কিভাবে বুয়েটে গবেষণার জন্য আরও বেশি ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থা করা যায়।
মাহদী আমিন যোগ করেন, আমি আজকে আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছি এজন্য নয় যে, এটা কেবল ওরিয়েন্টেশনের অনুষ্ঠান, বরং আপনাদের নিয়ে আগামী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি আশাবাদী।
এ সময় শহীদ আবরার ফাহাদের কথাও উল্লেখ করেন। বলেন, শহীদ আবরার ফাহাদ বুয়েটের একজন পূর্ববর্তী ছাত্র ছিলেন এবং আমরা আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং সুনাগরিক হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়তে চাই।
তিনি সবার সহযোগিতার উপর জোর দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিনি এবং সরকার সমস্ত সহযোগিতার চেষ্টা করবেন যাতে আগামীর বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে আপনারাই নেতৃত্ব দেন।
বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একরামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তা ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হাসিব চৌধুরী এবং ছাত্রকল্যাণ পরিদফতরের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মাসুদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এন. এম. গোলাম জাকারিয়া।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন