প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপালের মধ্যাঞ্চলে হিমলুং পর্বতের বেস ক্যাম্পে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ তুষারধসে নিহতের সংখ্যা বর্তমানে ১৫ জনে পৌঁছেছে। এই তথ্যটি আলজাজিরার একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর থেকে উদ্ধারকর্মীরা চাপা পড়া মৃতদেহগুলো উদ্ধারের কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে নতুন করে আটটি মৃতদেহ উদ্ধার করেন। এর আগে, রবিবার ভোরে ৭ হাজার ১২৬ মিটার উঁচু হিমলুং পর্বতের বেস ক্যাম্পে এই তুষারধস আঘাত হানে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটি নেপালের অন্যতম প্রাণঘাতী পর্বতারোহণ দুর্ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় একজন অভিযাত্রীকর্মী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাকে জীবিত উদ্ধার করার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। পরিস্থিতি বিবেচনায় উদ্ধার তৎপরতা শিগগিরই শেষ করা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় বিদেশি পর্বতারোহীরা বেস ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন না।
বর্তমানে অভিজ্ঞ গাইডসহ ১১ জন উদ্ধারকর্মী অভিযান পরিচালনা করছেন। তারা তুষারের নিচে চাপা পড়া তাঁবুগুলো ঘিরে চার মিটারের বেশি পুরু বরফের স্তর সরিয়ে মৃতদেহের সন্ধান করছেন।
উদ্ধার অভিযান শুরুর পর রবিবার দুই পর্বতারোহণ গাইডের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন রান্নাঘরের দুই কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এরপর মঙ্গলবার আরো তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকর্মীরা। বৃহস্পতিবার উদ্ধার হয় আরো আটটি মৃতদেহ।
নেপালে এর আগে ভয়াবহ পর্বতারোহণ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০১৪ সালে এভারেস্টে তুষারধসে ১৬ জন প্রাণ হারান। পরের বছর ২০১৫ সালের ভূমিকম্পে এভারেস্টে নিহত হন আরও ১৮ জন।
বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের মধ্যে আটটির অবস্থান নেপালে। ফলে, দেশটির পর্যটন ও অর্থনীতিতে পর্বতারোহণ এবং ট্রেকিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ৭ হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার পর্বত অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া পর্বতারোহীদের কাছে হিমলুং পর্বত একটি পরিচিত গন্তব্য।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন