প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জার্মান ফুটবলের নতুন মৌসুমের পর্দা উঠল জমজমাট লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে তাদের ঘরের মাঠে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার সুপারকাপের ট্রফিটি ঘরে তুলেছে বায়ার্ন মিউনিখ।
বায়ার্নের জয়ের জন্য জালে বল জড়ান নাথানিয়েল ব্রাউন ও মাইকেল অলিসে। অন্যদিকে, ডর্টমুন্ডের হয়ে ব্যবধান কমান ফাবিও সিলভা।
সিগনাল ইদুনা পার্কে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ২৮ মিনিটে মাইকেল অলিসের চমৎকার পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন নাথানিয়েল ব্রাউন। বায়ার্নের জার্সিতে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে অভিষেকেই এই গোলের দেখা পেলেন তিনি।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ডর্টমুন্ডের জোব বেলিংহামের একটি ভুল পাসের সুযোগ নিয়ে বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের দারুণ ফিনিশিংয়ে ব্যবধান ২-০ করেন অলিসে।
দ্বিতীয় অর্ধে ডর্টমুন্ড ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ৭৫ মিনিটে দানিয়েল স্ভেনসনের ক্রস থেকে ফাবিও সিলভার আলতো ছোঁয়ায় ব্যবধান কমে ২-১ হয়। তবে শেষ সময়ে বায়ার্নের ইসমায়েল সাইবারিকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ডর্টমুন্ডের রামি বেনসেবাইনি।
যোগ করা সময়ে ম্যাক্সিমিলিয়ান বেয়ার সমতা ফেরানোর একটি দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করেন, ফলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় স্বাগতিকদের।
পুরো ম্যাচে ছড়ি ঘুরিয়েছেন বায়ার্নের ফরাসি তারকা অলিসে। শুধু দলকে জেতানোর পাশাপাশি ৪টি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি ও ৩১টি ফাইনাল-থার্ড পাস দিয়েও ম্যাচের সেরা পারফর্মার ছিলেন তিনিই।
এদিকে, এই জয়ে এক নতুন ইতিহাস তৈরি করেছেন বায়ার্নের গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার। তিনি সুপারকাপে ১২তম ম্যাচ খেলে থমাস মুলারের সঙ্গে যৌথভাবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড স্পর্শ করেছেন। এছাড়া, এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ৯ বার শিরোপা উঁচিয়ে ধরার কীর্তি গড়লেন নয়ার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন