প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্কুল শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান হত্যা মামলার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি আবু দারদা মো. জোবায়ের (১৮) পুলিশ দ্বারা গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, রাজধানীর মিরপুর ও পল্লবী থানার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন এসআই মো. সোলেমান ও এএসআই (নিরস্ত্র) মো. মহিউদ্দিন।
গ্রেপ্তারকৃত জোবায়ের নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বালিয়াধর গ্রামের বাসিন্দা এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। একইসঙ্গে এ মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুন বিকেলে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির আবাসিক হল থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মেহেদীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মেহেদীর পিঠ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওইদিন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটকসহ কয়েকটি কক্ষের ভাঙচুর চালায়। নিহত মেহেদি রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী জিয়া উদ্দিনের ছেলে।
পরে ১৮ জুন, নিহতের বাবা জিয়া উদ্দিন বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মান্নান ও ৭ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ রয়েছে, একটি আইফোন চুরিকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনা মেহেদীর মৃত্যুর কারণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন