ঢাকা সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৫ই সফর, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ইং ০৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩বাং

ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখছেন, হতে পারে যেসব ক্ষতি


ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখছেন, হতে পারে যেসব ক্ষতি

ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ব্যবহার শুরু করা। এ অভ্যাসকে ‘আপডেটেড’ থাকা বলা যেতেই পারে। তবে চিকিৎসকরা এক্ষেত্রে সতর্ক করেছেন, এই অভ্যাস আপনার মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এ কারণে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। কারণ ঘুম ভাঙার পর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র অত্যন্ত সংবেদনশীল অবস্থায় থাকে এবং ধীরগতিতে কাজ করে। এ সময়ে মনোযোগ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ কিংবা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো কাজগুলো যথাযথভাবে করা সম্ভব নয়।

ঘুম থেকে ওঠার পর ব্রেন ও নার্ভ অ্যাকটিভ হতে কিছুটা সময় লাগে। ওই মুহূর্তে আপনি যদি মোবাইল ব্যবহার শুরু করেন, তাহলে মস্তিষ্কের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়। একসঙ্গে একাধিক তথ্য বোঝা বা চিন্তাভাবনার জন্য মস্তিষ্ক প্রস্তুত থাকে না। এর ফলস্বরূপ মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক চাপ সৃষ্টি হয় এবং মানসিক ক্লান্তি শুরু হয়।

একটা বালিশের অভাব থাকলেও সেটা manageable। কিন্তু ঘুমানোর সময়ে মোবাইল পাশে রাখা হলে তা পরিত্যাগ করতে হবে। কারণ বর্তমানে কেউ খুব একটা অ্যালার্ম দেয়ার জন্য ঘড়ি ব্যবহার করে না। মোবাইলের মাধ্যমেই অ্যালার্ম সেট করা থাকে। যখন সেটি বাজে, তখন ঘুমচোখে হাতড়াতে থাকে মোবাইল ফোন। চোখ কচলাতে কচলাতে আঙুল স্মার্টফোনের স্কিনে ঠেকানো হয়। সারারাতের জমা হওয়া নোটিফিকেশন ও মেসেজ দেখে মানুষ দিন শুরু করে। এ অভ্যাসকে ‘আপডেটেড’ থাকা বলা যেতে পারে। কিন্তু চিকিৎসকরা জোর দিয়ে বলছেন, এই অভ্যাস আপনার মস্তিষ্কে রীতিমত ক্ষতি করছে এবং আপনার স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।

আরও পড়ুন: বর্ষায় তেজপাতার পানি পানে মিলতে পারে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা

সকালে ঘুম থেকে উঠে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) লেভেল বেশি থাকে। এ হরমোন আমাদের জেগে উঠতে সাহায্য করে। যখন আপনি ঘুম ভাঙা চোখে মোবাইল চেক করেন, তখন এ হরমোনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ও মেসেজ, যা মানসিক চাপ তৈরি করে, সেগুলোর কারণে কর্টিসলের ক্ষরণ বাড়ছে। এ কারণে মানসিক উদ্বেগ ও স্ট্রেস বৃদ্ধি পায় এবং স্নায়ুতন্ত্র উত্তেজিত হয়ে উঠে।

এছাড়া এ ধরনের অভ্যাস তৈরির ফলে ক্রনিক স্ট্রেস বৃদ্ধি পায়। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে এই অভ্যাস ত্যাগ করা উচিত। যদি দিনের শুরুতেই মানসিক চাপ থাকে, তা হলে গোটা দিনটাই বিগড়ে যেতে পারে। মনোযোগ নষ্ট হয়ে যায় এবং দিনভর মানসিক ক্লান্তি কাজ করে। সারা দিন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে। সাধারণভাবে অনেকেই এসব লক্ষণ বুঝতে পারেন না এবং এর ফলে ক্রনিক ডিপ্রেশন সৃষ্টি হতে পারে। এই স্ট্রেসের পাশাপাশি বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক চাপও থাকে, যা মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপক ক্ষতি করে।

সুতরাং, ঘুম থেকে উঠার পর মোবাইলে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। অ্যালার্মের জন্য একটি ঘড়ি ব্যবহার করাই ভালো। ঘুম থেকে ওঠার অন্তত ২০-৩০ মিনিট পরে মোবাইলে হাত দিন এবং আপনার মস্তিষ্ককে সক্রিয় হওয়ার জন্য সময় দিন।

আরও পড়ুন: দৈনন্দিন যেসব অভ্যাস কেড়ে নিচ্ছে তরুণ প্রজন্মের শ্রবণশক্তি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান দলের অনুশীলন ভেন্যুর পাশে গাড়িতে মিলল লাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৭ এম


ইরান দলের অনুশীলন ভেন্যুর পাশে গাড়িতে মিলল লাশ

মেক্সিকোতে ইরানের বিশ্বকাপ দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে একটি গাড়ির ভেতর থেকে এক ব্যক্তির গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই খবরটি এএফপির মাধ্যমে জানা গেছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার সীমান্তবর্তী শহর তিহুয়ানার কালিয়েন্তে স্টেডিয়ামের বিপরীতে ওই গাড়িটি পার্ক করা ছিল। পুলিশ গাড়ির ভেতর থেকে কালো ব্যাগে মোড়ানো এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে।

তিহুয়ানার প্রসিকিউটর কার্যালয়ের এক মুখপাত্র জানান, টহলরত পুলিশ সদস্যরা গাড়িটি সন্দেহজনক অবস্থায় দেখতে পেয়ে তল্লাশি চালান। গাড়ির ভেতরে পাওয়া লাশে সহিংসতার চিহ্ন ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, গাড়িটি কয়েক দিন ধরেই সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল।

এটি এমন একটি মাঠ যেখানে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ইরানের জাতীয় দল অনুশীলন করছে। শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ক্যাম্প করার পরিকল্পনা থাকলেও চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে ইরান মেক্সিকোতে তাদের প্রস্তুতি ক্যাম্প সরিয়ে নেয়।

মেক্সিকোতে অবস্থানকালে ইরান দলের জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনীর পাহারায় তাদের হোটেল ও স্টেডিয়ামের মধ্যে যাতায়াত করানো হচ্ছে। শুক্রবার লাশ সরিয়ে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই ইরান দলের বহর স্টেডিয়াম ত্যাগ করে।

মাদকচক্রের সহিংসতার জন্য কুখ্যাত তিহুয়ানা শহরে হত্যাকাণ্ডের হার দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগজনক থেকে আসছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালেই শহরটিতে এক হাজার ২০০-এর বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

তবে এই ঘটনার সঙ্গে ইরান জাতীয় দলের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কিছু জানায়নি তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নেরও তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি ইরান ফুটবল দল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক মাস চিনি না খেলে সত্যিই ওজন কমে? জানুন বিশেষজ্ঞদের মতামত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ এম


এক মাস চিনি না খেলে সত্যিই ওজন কমে? জানুন বিশেষজ্ঞদের মতামত

বর্তমানে অনেক মানুষ স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য খাবারে চিনি কমিয়ে দিচ্ছেন বা সম্পূর্ণরূপে বাদ দিচ্ছেন। সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে প্রায়শই দেখা যায়, কেউ এক মাস চিনি এড়িয়ে ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন, আবার কেউ ত্বকের অবস্থার উন্নতি বা বাড়তি কর্মশক্তি পাওয়ার কথা বলছেন। তবে প্রশ্ন হলো, এক মাস চিনি বাদ দিলে কি সত্যিই উল্লেখযোগ্যভাবে ওজন কমে যাবে?

অতিরিক্ত চিনি কেন ওজন বাড়ানোর পেছনে কাজ করে? কোমল পানীয়, মিষ্টি, প্যাকেটজাত জুস এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত খাবারের মধ্যে থাকা অতিরিক্ত চিনি শরীরে বেশি ক্যালোরি সরবরাহ করে। কিন্তু এই ধরনের খাবার দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পেট ভরা রাখতে পারে না। এর ফলে দ্রুত ক্ষুধা লাগতে পারে এবং বেশি খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত চিনি গ্রহণের ফলে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো ঘটতে পারে—

শরীরের ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে।

পেটের চারপাশে চর্বি জমতে পারে।

রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত ওঠানামা করতে পারে।

মিষ্টি বা উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবারের প্রতি আকর্ষণ বাড়তে পারে।

টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

বিশেষ করে চিনিযুক্ত পানীয় অতিরিক্ত ক্যালোরি সরবরাহ করে, যা বহু সময় অজান্তেই দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণ বাড়িয়ে দেয়।

অবশ্য এক মাসে কতটা ওজন কমতে পারে? এর উত্তর স্পষ্ট নয়। ওজন কমার পরিমাণ নির্ভর করে একজনের খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক কার্যক্রম, ঘুমের মান, বিপাকক্রিয়া এবং মোট ক্যালোরি গ্রহণের ওপর।

যারা নিয়মিত কোমল পানীয়, মিষ্টি, ডেজার্ট বা চিনিযুক্ত পানীয় গ্রহণ করেন, তারা চিনি কমানোর পর তুলনামূলক দ্রুত পরিবর্তন অনুভব করতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু ক্ষেত্রে এক মাসে কয়েক কেজি ওজন কমতে পারে। তবে এটি মূলত ক্যালোরি গ্রহণ কমে যাওয়ার ফল, শুধুমাত্র চিনি বাদ দেওয়ার কারণে নয়।

প্রথমদিকে যে ওজন কমে, তার সংস্কার হতে পারে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি থেকেও, কারণ চিনি এবং পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট কম খেলে গ্লাইকোজেনের মজুত কমে যায়, যা পানি জমার সাথে যুক্ত। ফলে শরীরের ফোলাভাবও কমে আসতে পারে।

চিনি কমালে শরীরে কী পরিবর্তন আসে? চিনি কমানোর প্রথম কয়েক দিনে বেশিরভাগ মানুষ মিষ্টি খাওয়ার জন্য তীব্র ইচ্ছা বোধ করেন। কারণ, চিনিযুক্ত খাবার মস্তিষ্কের পুরস্কার-ব্যবস্থাকে সক্রিয় করে। তবে কিছুদিন পর অনেকের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়, যেমন—

ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।

ঘন ঘন নাস্তা খাওয়ার অভ্যাস কমে যায়।

শক্তির ওঠানামা কম হয়।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে ওঠে।

শক্তি এবং ঘুমের মানে প্রভাব ফেলে।

অতিরিক্ত চিনি রক্তে শর্করার স্তর দ্রুত বাড়িয়ে থাকে এবং পরে দ্রুত কমিয়ে দেয়। এর ফলে ক্লান্তি, অবসন্নতা ও মনোযোগের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

চিনি কমানোর পর অনেকে জানান—

সারাদিন বেশি সতেজ অনুভব করেন।

মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।

ঘুমের মান বিশেষভাবে উন্নত হয়।

খাবারের পর অতিরিক্ত ক্লান্তি কমে যায়।

তবে এসব সুফল পেতে সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসও স্বাস্থ্যকর হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের উপদেশ, সম্পূর্ণ চিনি বাদ দেওয়া কি জরুরি? লম্বা সময়ের জন্য কঠোরভাবে সকল প্রকার চিনি এড়িয়ে চলা সবার জন্য বাস্তবসম্মত না হওয়ার কারণে পুরোপুরি চিনি বাদ দেওয়ার চেয়ে চিনি গ্রহণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাই বেশি কার্যকর।

অতিরিক্ত চিনি কমানোর জন্য কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে:

কোমল পানীয়ের গ্রহণ কমানো।

মিষ্টি এবং ডেজার্টের পরিমাণ সীমিত রাখা।

খাবারের পুষ্টিগুণের লেবেল পড়া।

কম প্রক্রিয়াজাত খাবার বেছে নেওয়া।

খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন এবং আঁশ যুক্ত রাখা।

এক মাস অতিরিক্ত চিনি কমিয়ে বা বাদ দিয়ে কিছু মানুষের ওজন কমতে পারে, তবে এর পরিমাণ ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে। একই সাথে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ, শক্তির স্থিতিশীলতা এবং বিপাকীয় স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে। তাই দ্রুত ওজন কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ না করে, বরং দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ জীবনযাপনের অংশ হিসেবে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদ্‌-দ্বীনের রোগীদের ৬ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ এম


আদ্‌-দ্বীনের রোগীদের ৬ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশ

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্‌-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীদের তাৎক্ষণিক ও যথাযথ চিকিৎসার জন্য ঢাকার ছয় সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকের পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১১ জুনের স্মারক মোতাবেক আদ্‌-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। এ অবস্থায়, ওই হাসপাতাল থেকে রেফার করা রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে তাদের তাৎক্ষণিক ও যথাযথ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

ছয়টি হাসপাতাল হলো- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট।

ঈদুল আজহার আগের দিন গত ২৭ মে ভোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে ছয় নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনার দিনই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ৪ জুন তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, তদন্তে হাসপাতালের চরম অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভবনটি হাসপাতাল পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নয়। বিষয়টি সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট কক্ষটিতে দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকায় এবং স্বাভাবিক ভেন্টিলেশন না থাকার কারণে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হয় ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। এছাড়া, ৯০০ বর্গফুটের ওই কক্ষে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি (প্রায় ৫০ জন) মানুষের উপস্থিতি ছিল।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, নবজাতকদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে হাসপাতালে কোনো সক্রিয় ইমার্জেন্সি মেডিকেল রেসপন্স ছিল না। সেখানে কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না এবং দায়িত্বরত সেবিকাদের চরম অবহেলা ও অসহযোগিতা ছিল।

পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে শোকজ করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ‘মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ অধ্যাদেশ, ১৯৮২’ লঙ্ঘন করায় কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় ওই নোটিশে। শোকজের জবাব সন্তুষ্ট না হওয়ায় লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনে ২টি করে ডিম খাওয়ার উপকারিতা কী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ এম


দিনে ২টি করে ডিম খাওয়ার উপকারিতা কী

ডিম দীর্ঘকাল ধরে পুষ্টিকর খাবার হিসেবে পরিচিত। অনেকের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় এটি নিয়মিতভাবে স্থান পেয়েছে। প্রোটিনের ভালো উৎস হিসেবে, অনেকের কাছে প্রশ্ন আসে, যদি প্রতিদিন দুটি ডিম খাওয়া হয়, তাহলে শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতানুসারে, অধিকাংশ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য পরিমিত এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে প্রতিদিন দুটি ডিম খাওয়া উপকারী হতে পারে।

একটি বড় ডিমে সাধারণত প্রায় ৭০–৭২ ক্যালোরি এবং সহকারী প্রোটিনের পরিমাণ প্রায় ৬ গ্রাম। এছাড়া, এতে কোলিন, বি–ভিটামিন, লুটেইন ও জিয়াজ্যান্থিনের মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানও পাওয়া যায়।

দুটি ডিম খাওয়ার ফলে শরীর প্রোটিনের পাশাপাশি এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পায়, যা মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুর কার্যকারিতায় সহায়তা করে। ডিমে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি হতে পারে। ডিম প্রোটিনসমৃদ্ধ, যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দিতে সাহায্য করে এবং দ্রুত ক্ষুধা লাগার প্রবণতা কমায়।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, সকালের নাস্তায় যদি ডিম খাওয়া হয়, তাহলে এটি দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। অন্যান্য হালকা কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ খাবারের তুলনায়, ডিম ধীরে হজম হয়, ফলে মাঝে অতিরিক্ত খাবারের চাহিদা কমতে পারে।

কয়েক সপ্তাহ নিয়মিত ডিম খাওয়ার ফলে শরীরে স্থিতিশীল শক্তি অনুভব করা, খাবারের পরে অতিরিক্ত ক্লান্তি কমে যাওয়া এবং সামগ্রিক খাদ্য গ্রহণের ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আসার মতো পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। তবে এসব উপকারিতা আরও ভালোভাবে পাওয়া যায়, যখন ডিমের সাথে শাকসবজি, ফল, পূর্ণ শস্য এবং স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার যুক্ত থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম এককভাবে কোনো জাদুকরি খাবার নয়; বরং এটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে এর সঙ্গে কী খাওয়া হচ্ছে সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শাকসবজি, শস্যদানা ও স্বাস্থ্যকর চর্বি সহ ডিম খাওয়া অবশ্যই বেশি উপকারী হতে পারে। অন্যদিকে, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস, মাখন বা পরিশোধিত রুটির সাথে খেলে স্বাস্থ্যগত উপকারিতা কমে যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই সফর, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৩:৫৭
জোহর ১২:০৬
আসর ০৪:৪৪
মাগরিব ০৬:৪৭
ইশা ০৮:০৭
সূর্যোদয় : ০৫:২২ সূর্যাস্ত : ০৬:৪৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%