প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের আসামে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৮ জনে পৌঁছেছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। একইসঙ্গে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। এখন ক্ষতিগ্রস্ত জেলার সংখ্যা ১৬ থেকে কমে বর্তমানে ৬টিতে নেমে এসেছে।
আসাম রাজ্য সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এএসডিএমএ) সর্বশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো শিবসাগর, গোলাঘাট, চারাইদেও, জোরহাট, কামরূপ (মেট্রোপলিটন) এবং আরেকটি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা। এসব জেলায় বর্তমানে ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৪৯৫ জন মানুষ পানিবন্দি বা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে রয়েছে।
জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চারাইদেও। সেখানে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৪০৪ জন মানুষ বন্যার কারণে দুর্ভোগে রয়েছেন। শিবসাগর জেলায় ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৬১ এবং জোরহাটে ৭৪ হাজার ৪৫৮ জন।
তবে গত দুই দিনে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটেছে। ২৬ জুলাই প্রকাশিত এএসডিএমএর আগের বুলেটিনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছিল ৫ লাখ ২৪ হাজার।
বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য রাজ্য সরকার ৯০টি আশ্রয়কেন্দ্র এবং ৯৪টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র চালু করেছে। বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ২৮ হাজার ৬৯৫ জন অবস্থান করছেন।
দুর্গম বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধার অভিযানও চলছে। জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ) এবং বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছেন।
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জুলাই মাসের মাঝামাঝি থেকে আসামের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ১৬টি জেলায় বন্যা দেখা দেয়।
এএসডিএমএর তথ্য অনুযায়ী, এখনো আসামে ৩৭ হাজার ১৩৯ দশমিক ৫২ হেক্টর কৃষিজমির ফসল পানির নিচে রয়েছে। এ ছাড়া গত প্রায় দুই সপ্তাহে বন্যায় ২৬ হাজার ৬৬৯টি গবাদিপশু ভেসে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন