প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মুজিববর্ষে চার হাজার কোটি টাকা অপচয়ের অভিযোগে নথিপত্র দুদকের হাতে এসেছে। যাচাই-বাছাই শেষ হলে একাধিক মামলা হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম। তিনি আরও জানান, বিশেষ গুরুত্বের সাথে দুদকসহ সরকারি সংস্থাগুলো মুজিববর্ষের দুর্নীতি নিয়ে কাজ করছে।
শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে মুজিববর্ষ উদযাপন এবং সারাদেশে ১০ হাজারের অধিক ম্যুরাল-ভাস্কর্য নির্মাণের কাজ করেছিল ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার। দুদক বলছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার বোন শেখ রেহানাসহ অন্যরা শতবর্ষ পালনের নামে রাষ্ট্রের চার হাজার কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করেছে।
২০২৫ সালের এপ্রিলে অনুসন্ধানে নেমে নথিপত্র চেয়ে ৬৪ জেলা প্রশাসক, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরে চিঠি পাঠিয়েছে দুদকের ৭ সদস্যের অনুসন্ধানকারী দল। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ বেতনের সামনের ম্যুরালের তথ্যসহ একাধিক নথিপত্র সংস্থার কাছে পৌঁছেছে।
দুদক জানিয়েছে, অতি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় দুদকের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ এবং সিআইডির সমন্বয়ে অনুসন্ধানী দল কাজ করছে। এর আগে, সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে গত রোববার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, মুজিববর্ষে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও বেদি তৈরি, সরকারি অফিসে ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেল পাথরের মূর্তি নির্মাণ এবং সময় গণনার ডিজিটাল বোর্ড তৈরিতেই ৯৮২ কোটি টাকার অধিক ব্যয় হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন