প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্যাংককের উপকণ্ঠে ননথাবুরি প্রদেশের একটি সরকারি কার্যালয়ে বন্দুক হামলার একটি ঘটনা ঘটেছে। সোমবারের এই ঘটনায় এক ঊর্ধ্বতন প্রাদেশিক কর্মকর্তা ও তাঁর চালক আহত হন। পুলিশ সন্দেহভাজন এক হামলাকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
ননথাবুরি পুলিশের কমান্ডার মেজর জেনারেল ডেজরাপি কংডি জানিয়েছেন, হামলাকারী একজন সাবেক আইনপ্রণেতা। তিনি ননথাবুরি প্রাদেশিক প্রশাসনিক সংস্থার কার্যালয়ে ওই কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। আহত দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এই ঘটনার মাত্র কয়েকদিন আগে একই প্রদেশের একটি স্কুলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরের বন্দুক হামলায় হামলাকারীসহ নয়জন নিহত এবং ২০ জনের বেশি আহত হন। ২০২২ সালের পর এটি থাইল্যান্ডের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
শুক্রবারের ওই ঘটনার পর সোমবার দেশটির স্কুলগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়। রাজধানীর দেবসিরিন ননথাবুরি স্কুলসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
স্কুল হামলার ঘটনার পর থাইল্যান্ডের শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী তিন মাসের মধ্যে নতুন নিরাপত্তা প্রটোকল তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। এতে মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, জরুরি পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া জানানোর মহড়া, র্যাগিং প্রতিরোধ এবং অস্ত্র ও নিষিদ্ধ সামগ্রী শনাক্তকরণের ব্যবস্থা জোরদারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এদিকে, বন্দুক হামলার পর প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল দেশে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করার নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশের উদ্দেশ্যে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে চেকপয়েন্ট স্থাপনের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আনুতিন উল্লেখ করেছেন, জনসমক্ষে কারও আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অধিকার নেই। তিনি বলেন, আত্মরক্ষার অজুহাতেও প্রকাশ্যে অস্ত্র বহনের কোনো যৌক্তিকতা নেই। তথ্যসূত্র: রয়টার্স।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন