প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর কুয়েতের দুটি স্থানে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে গিয়ে দেশটির বেশ কয়েকজন দমকলকর্মী এবং একজন শ্রমিক আহত হয়েছেন।
শুক্রবার দেশটির ফায়ার ফোর্স এই তথ্য জানিয়েছে।
একটি বিবৃতিতে কুয়েত ফায়ার ফোর্স জানায়, সকালে ইরানের হামলার পর দুটি স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালানোর সময় কয়েকজন দমকলকর্মী এবং একজন শ্রমিক আহত হন।
বিবৃতিতে বলা হয়, “প্রথম ঘটনাস্থলে অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম চলাকালে কয়েকজন দমকলকর্মী এবং একজন শ্রমিক আহত হন। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থল খালি করা হয় এবং আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।”
কিন্তু কর্তৃপক্ষ কতজন আহত হয়েছেন বা তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কোনও তথ্য প্রকাশ করেনি।
এর আগে কুয়েত সরকার জানিয়েছিল, ইরানের হামলায় দেশের দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই স্থাপনাগুলো উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কুয়েতে বিশুদ্ধ পানির বড় অংশই সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করে সরবরাহ করা হয়। ফলে এসব স্থাপনায় হামলার কারণে বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছে। কিন্তু হামলায় কোন পরিমাণ অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে বা সেবা ওপর কতটা প্রভাব পড়েছে, এসব বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। একই সাথে বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার ঘটনা সংঘাতের বিস্তৃতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন