প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সড়ক পরিবহন খাতের অন্তত ৩০ শতাংশ যানবাহনকে ইলেকট্রিক (বিদ্যুৎচালিত) মোটরযানে রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের। জাতীয় সংসদে সরকারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, বিশ্বজুড়ে যে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, সে ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশও পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে।
সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মন্ত্রী জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের জবাবে জানান, সরকারের নেওয়া এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ইতিমধ্যে ইলেকট্রিক মোটরযানের নিবন্ধন ও চলাচলসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন সম্পন্ন করেছে। তিনি আরও বলেন, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং পরিবেশ দূষণ রোধে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। বিশেষ করে ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন বা এনডিসি অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবহন খাত থেকে ৩.৪ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বাংলাদেশের।
ইলেকট্রিক যানবাহন জনপ্রিয় করতে নেওয়া সরকারি বিভিন্ন প্রণোদনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য আমদানিকৃত ইলেকট্রিক বাসকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য খাতের ক্ষেত্রেও এ ধরনের যানবাহন আমদানিতে মাত্র ১৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে সেতুর টোল আদায় ও ট্রেনের স্টপেজ নিয়েও কথা বলেন সেতামন্ত্রী। তিনি জানান, সেতু থেকে টোল আদায় অর্থ বিভাগের আওতাভুক্ত একটি রাজস্ব-সংক্রান্ত বিষয়, তাই সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এককভাবে টোল প্রত্যাহারের সুযোগ নেই। তবে ছোট সেতুর ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এছাড়া আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ বাড়ানোর দাবির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সব জায়গায় ট্রেন থামানো হলে আন্তঃনগর ট্রেনের দ্রুত যাতায়াতের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে এবং এ সম্পর্কে বিদ্যমান নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করা জরুরী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন