১২:৫৬ এম
রাতে শরীর বিশ্রামের অবস্থায় গেলেও কিছু রোগের উপসর্গ এ সময় বাড়তে পারে। হরমোনের পরিবর্তন, শুয়ে থাকার ভঙ্গি, ঠান্ডা পরিবেশ অথবা শরীরের অভ্যন্তরীণ জৈবঘড়ির কারণে এমনটি ঘটে।
নিশ্চিত করুন রাতে যেসব রোগের উপসর্গ বৃদ্ধি পেতে পারে সেগুলো:
১. অ্যাজমা বা হাঁপানি: রাতে শ্বাসনালী সংকুচিত হওয়ার কারণে কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং বুক চাপ লাগা বৃদ্ধি পেতে পারে। অনেকের মাঝে রাতে হাঁপানির অ্যাটাকও হতে পারে।
আরও পড়ুন: বর্ষায় চুল পড়া বন্ধ করতে যে ৩টি কাজ করলে মিটবে স্ক্যাল্পের সমস্যাও
২. অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিক: খাওয়ার পর শুয়ে পড়লে পাকস্থলীর অ্যাসিড ওপরে উঠে বুকজ্বালা, টক ঢেকুর ও গলা জ্বালাপোড়া বৃদ্ধি পেতে পারে।
৩. সাইনাস ও অ্যালার্জি: রাতে নাক বন্ধ হওয়া, হাঁচি বা কাশি বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। শোয়ার সময় শ্লেষ্মা জমে থাকায় সমস্যা বেশি অনুভূত হয়।
৪. আর্থ্রাইটিস বা জয়েন্টের ব্যথা: রাতে দীর্ঘ সময় একই ভঙ্গিতে থাকার কারণে জয়েন্ট শক্ত হয়ে ব্যথা বাড়তে পারে।
৫. হৃদ্রোগের কিছু উপসর্গ: কিছু মানুষের রাতে বুক ধড়ফড়, বুকব্যথা অথবা শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে। বিশেষ করে হার্ট ফেইলিউর থাকলে শুয়ে থাকলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব গোসল দিবস
৬. উদ্বেগ ও প্যানিক অ্যাটাক: রাতের নীরব পরিবেশে দুশ্চিন্তা বেশি অনুভূত হতে পারে। সেজন্য বুক ধড়ফড়, অস্থিরতা ও ঘুমের সমস্যা বৃদ্ধি পায়।
৭. ডায়াবেটিসের সমস্যা: রাতে রক্তে শর্করা কমে গেলে ঘাম, কাঁপুনি, দুর্বলতা অথবা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।
৮. ত্বকের চুলকানি: একজিমা বা অ্যালার্জির চুলকানি রাতে বেশি হয়, কারণ রাতে ত্বকের তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পায়।
কখন সতর্ক হবেন?
আরও পড়ুন: দিনে ২টি করে ডিম খাওয়ার উপকারিতা কী
যদি রাতে নিয়মিত— শ্বাসকষ্ট হয়, বুকব্যথা হয়, তীব্র কাশি থাকে, ঘুম ভেঙে যায়, অতিরিক্ত ঘাম অথবা মাথা ঘোরা হয়।
রাতে উপসর্গ কমাতে করণীয়:
১. ঘুমানোর ২–৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন।
২. অতিরিক্ত চা-কফি ও ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলুন।
আরও পড়ুন: এক মাস চিনি না খেলে সত্যিই ওজন কমে? জানুন বিশেষজ্ঞদের মতামত
৩. নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৪. বালিশ সামান্য উঁচু করে ঘুমান।
৫. চিকিৎসকের দেয়া ওষুধ নিয়মিত সেবন করুন।
আরও পড়ুন: ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখছেন, হতে পারে যেসব ক্ষতি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন