প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আজ বলেছেন, ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ অতিথি হিসেবে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণ সরকার পর্যালোচনা করছে।
বৃহস্পতিবার, পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে বাংলাদেশের জন্য নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর তিনি সাংবাদিকদের জন্য এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমরা বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনা করছি। সিদ্ধান্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে আপনাদের জানানো হবে।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের জন্য আরও কিছু আমন্ত্রণ রয়েছে এবং নিউইয়র্ক সফরও বিবেচনায় নিতে হবে, যেখানে তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেবেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘কয়েকটি আমন্ত্রণ রয়েছে। একই সময়ে প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনেও অংশ নেবেন। তাই সবগুলো কর্মসূচি একত্রে বিবেচনা করতে হচ্ছে।’
সম্প্রতি ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকের সময় খলিলুর রহমান উভয় পক্ষের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য আশা প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া, ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী মন্তব্য করেন যে, নয়াদিল্লি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে স্বাগতম জানানোর জন্য অত্যন্ত আগ্রহী এবং সফরটি শিগগিরই অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছেন।
তিনি বলেন, ‘এটি প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে আমাদের পক্ষ থেকে বলতে পারি, আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রধানকে ভারতে স্বাগত জানানোর জন্য সাগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমরা আশা করি, সফরটি খুব শিগগিরই হবে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের সময় সম্পর্কে জানতে চাইলে দিনেশ ত্রিবেদী বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারের ওপর নির্ভর করবে।
ব্রিকস সম্মেলনের এ আমন্ত্রণ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন বাংলাদেশ ও ভারত উভয় পক্ষের নিকট সহযোগীতামূলক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক বৃদ্ধি করার জন্য নতুন করে কূটনৈতিক সংযুক্তি জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন