প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় এক নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে, তার নাম মরিয়ম বেগম (৩৬)। এটি ঘটেছে শনিবার রাত ১০.১০ মিনিটে রেলওয়ে স্টেশনের ২ নম্বর প্লাটফর্ম এলাকায়। ওই সময় গুরুতর আহত অবস্থায় লোকজন তাকে রেললাইন থেকে তুলে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০.৪০ মিনিটে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মরিয়ম কিশোরগঞ্জ সদর এলাকার মাহবুব মিয়ার স্ত্রী। তবে তার বাবার বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায়।
রেলওয়ে পুলিশ এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্টেশনে এক যাত্রীর মোবাইল চুরি নিয়ে রাতে ২ নম্বর প্লাটফর্মে যাত্রীরাসহ পুলিশের জটলা সৃষ্টি হয়েছিল। এ সময় মরিয়ম বেগম রেলস্টেশনে কিশোরগঞ্জ যাওয়ার জন্য এগারসিন্ধু ট্রেনের অপেক্ষা করছিলেন। ট্রেন আসতে বিলম্ব হওয়ায় তিনি মানুষের জটলা দেখছিলেন। হঠাৎ করে, ঢাকা-ব্রাক্ষণবাড়িয়ার দিকে চলন্ত তিতাস কমিউটার ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করার সময় ২ নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা মরিয়ম বেগম চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় রেললাইনে পড়ে যায়।
এ সময় ট্রেনের চাকার নিচে পড়ে তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয় এবং অন্য পায়ে গুরুতর আঘাত পান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃতদেহের খবর তার পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়েছে। বর্তমানে লাশ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডাঃ মমিনুর রহমান জানান, মরিয়ম বেগমকে হাসপাতালে আনার পর দেখা যায় তার একটি পা বিচ্ছিন্ন এবং অন্য পায়ে গুরুতর আঘাত রয়েছে। চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও রাত ১০.৪০ মিনিটে তিনি মারা যান।
ভৈরব রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রফিকুল হাসান জানান, খবর পেয়েছি তিনি ট্রেনের চাকার নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে হাসপাতালে গিয়ে পুলিশ দেখতে পান তিনি মারা গেছেন। তার পরিবারকে ঘটনা সম্পর্কে খবর দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন