প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অস্ট্রেলিয়ার কট্টর ডানপন্থী দল ‘ওয়ান নেশন’-এর মতাদর্শের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শুক্রবার একটি বক্তৃতায় দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং বহুসংস্কৃতিবাদের পক্ষে জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করবেন। তিনি বিষয়টিকে ‘অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র চিরন্তন রূপ’ হিসেবে অভিহিত করবেন।
মালয়েশিয়ায় জন্ম নেওয়া ওং, অস্ট্রেলিয়ার প্রথম এশীয়-অস্ট্রেলীয় ফেডারেল মন্ত্রী। সিডনির লোয়ি ইনস্টিটিউটে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি অস্ট্রেলিয়াকে বিভক্ত করার চেষ্টাকারী এমন ‘বাইরের এবং ভেতরের শক্তিগুলো’ সম্পর্কে সতর্ক করবেন। সাথেসাথেই, তিনি ব্যবসা এবং খেলাধুলায় শরণার্থীদের সাফল্যের কথা তুলে ধরবেন।
সিডনি থেকে এ খবরটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার অর্ধেক লোক হয় বিদেশে জন্মগ্রহণ করেছে, নয়তো তাদের বাবা-মায়ের অন্তত একজন বিদেশে জন্মেছেন।
এএফপির কাছে আসা বক্তৃতার লিখিত কপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বহুসাংস্কৃতিক অস্ট্রেলিয়া হল একমাত্র অস্ট্রেলিয়া যা সবসময় এখানে ছিল। ‘এক সংস্কৃতির’ অস্ট্রেলিয়ার ‘বিষণ্ন কল্পনা’ দেশের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের মধ্যে ক্ষতি করতে পারে।
জনমত জরিপ অনুযায়ী, পলিন হ্যানসনের ওয়ান নেশন দল চলতি বছর জনপ্রিয়তায় ব্যাপকভাবে এগিয়ে গিয়ে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দলে পরিণত হয়েছে। ২০২৮ সালের পরবর্তী নির্বাচনে দলটি ‘কিংমেকার’ বা সরকার গঠনে নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হ্যানসনকে দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা ফ্রান্সের মেরিন লে পেনের সঙ্গে তুলনা করা হয়ে আসছে। তিনি ‘এক সংস্কৃতির’ অস্ট্রেলিয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি ওয়ান নেশন চায়, অস্ট্রেলিয়া আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করুক এবং বৈদেশিক সহায়তা কমিয়ে দিক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন