প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় একটি বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে খাওয়ার সময় টেবিলের নিচে মাংস লুকিয়ে রাখা ও নষ্ট করার বিষয়টি নিয়ে কনেপক্ষ ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার ফলে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এটি ঘটে সোমবার (৮ জুন) বিকেলে উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া নয়াকান্দা গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেওড়া নয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা লাভলু শেখের মেয়ের বিয়ে উপলক্ষে বরপক্ষ, আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামবাসীর জন্য একটি ভোজের আয়োজন করা হয়। দুপুরের পর অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে গ্রামের কিছু যুবক কনেপক্ষের চোখ ফাঁকি দিয়ে টেবিলের নিচে বালতি বা পাত্রে মাংস লুকিয়ে রাখতে শুরু করে এবং বেশ কিছু খাবারও নষ্ট করে। যখন কনেপক্ষের লোকজন বিষয়টি তাদের নজরে পড়ে, তখন প্রথমে তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এরপর তা দুই পক্ষের মধ্যে লাঠিসোটা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের রূপ নেয়।
বিয়েবাড়িতে আগত একজন অতিথি মন্তব্য করেছেন, 'খাওয়ার টেবিলে কয়েকজন তরুণ অতিরিক্ত মাংস নিয়ে টেবিলের নিচে লুকিয়ে রাখছিল। কনেপক্ষের লোকজন যখন খাবার নষ্ট করতে নিষেধ করল, তখন তারা দলবল নিয়ে আক্রমণ করে। নিমেষেই আনন্দের অনুষ্ঠানটি রণক্ষেত্রে পরিণত হলো।'
খবর পেয়ে কালামৃধা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. রেজাউল মাতুব্বর এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল মাতুব্বর জানান, 'বিয়েবাড়িতে মাংস খাওয়া এবং খাবার নষ্ট করার বিষয়টি নিয়ে পাশের বাড়ির লোকজনের সাথে কনেপক্ষের সংঘর্ষ ঘটে। এতে কয়েকজন সামান্য আহত হয়েছেন। পরে আমরা বসে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছি।'
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে মাংস নিয়ে গ্রামের দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল। তবে এ ঘটনার জন্য কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। স্থানীয় মুরুব্বিদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমাধান হয়েছে বলে পুলিশকে জানানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন