প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে হাজার হাজার মানুষ তীব্র অর্থনৈতিক সংকট, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব করার বিরুদ্ধে বিশাল বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের মতে, এটি বর্তমান রাষ্ট্রপতি কাইস সাইয়েদের সরকারের বিরুদ্ধে গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় গণআন্দোলন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে দেশের প্রভাবশালী শ্রমিক সংগঠন ‘তিউনিসিয়ান জেনারেল লেবার ইউনিয়ন’ (UGTT) সহ বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। তিউনিসের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত প্রধান হাবিব বুরগুইবা এভিনিউতে হাজারো বিক্ষোভকারী জড়ো হয়ে বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। এ সময় রাজধানীজুড়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী আইনজীবী, চিকিৎসক, সাংবাদিক এবং সাধারণ কর্মহীন যুবকদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডগুলোতে লেখা ছিল—“স্বাধীনতা ছাড়া কোনো গণতন্ত্র নেই” এবং “দারিদ্র্যের মাঝে কোনো মর্যাদা নেই”। তিউনিসিয়ার ২০১১ সালের বিপ্লবের বিখ্যাত স্লোগান—“সরকারের পতন চাই”—পুনরায় রাজপথে ধ্বনিত হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিভাজনে দুর্বল থাকা বিরোধী দল ও সংগঠনগুলো এই আন্দোলনের মাধ্যমে পুনরায় একত্রিত হয়েছে। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি, জনসেবার মানের অবনতি, বিদ্যুৎ ও পানির সংকট এবং চিকিৎসাসেবার অপ্রতুলতার কারণে জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ আজ এই বিশাল রূপ নিয়েছে।
এছাড়া উল্লেখ্য, ২০২১ সালে রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাষ্ট্রপতি কাইস সাইয়েদ সংসদ স্থগিত এবং সরকার বরখাস্ত করেছিলেন। পরবর্তীতে নতুন সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা আরও বাড়ানো হলেও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বেড়েই চলেছে। সূত্র: আল জাজিরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন