প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে একটি ছাত্রাবাসে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতা ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। এবং ওই শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এমন দাবি করছে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় লোকজন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নে উদয়পুর গ্রামে অবস্থিত ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির ছাত্রাবাস থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মেহেদী হাসান (১৫) ইছাপুর ইউনিয়নের রাঘবপুত গ্রামের জিয়াউদ্দিন জিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহতের পরিবার অভিযোগ করে মেহেদীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ কারণে রাত ৮টার পর থেকে একাডেমির সামনে লোকজন জড়ো হতে শুরু করে। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটক ও অভ্যর্থনা কক্ষ ভাঙচুর করে এবং ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করে। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাইক হাতে উত্তেজিত এলাকাবাসীকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি মাইকে বলেন, ‘পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। তারা তদন্ত করে ঘটনার মূল কারণ উদ্ঘাটন করবে।’ তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানিয়েছেন, আবাসিক হোস্টেলের ৬ তলার ৬১৪ নম্বর কক্ষের বারান্দার গ্রিলে মাফলার পেঁচিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে মেহেদী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উচ্ছৃঙ্খল লোকজন একাডেমির গেট ভেঙে ফেলে এবং অভ্যর্থনা কক্ষ ভাঙচুর করে।
তিনি আরও জানান, পরে লক্ষ্মীপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্তের পর এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন