প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ডেমোক্র্যাট দলের নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাশিত ইরান শান্তিচুক্তি নিয়ে সন্দেহ ও সমালোচনা প্রকাশ করেছেন। তারা দাবি করছেন যে, এই শান্তিচুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো কূটনৈতিক বিজয় নয়; বরং এটি ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইরানের কাছে আত্মসমর্পণের একটি চিহ্ন।
ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যাডাম শিফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট বলছেন যুদ্ধ শেষ। আমি আশা করি তিনি সঠিক। তবে আমরা এর আগেও এ ধরনের কথা শুনেছি, সেই সঙ্গে ছিল একের পর এক অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি।’
এদিকে মার্কিন জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরো বলেছেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) নতুন নতুন যুদ্ধ শুরু করেছেন, কিন্তু ব্যয় কমাতে পারেননি। ফলস্বরূপ মার্কিন জনগণ গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান সেথ মোল্টন সম্ভাব্য চুক্তিটিকে সরাসরি ‘আত্মসমর্পণের দলিল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এম এস নাউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোল্টন বলেন, ‘এটি একটি ভয়াবহ চুক্তি। মূলত এটি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আত্মসমর্পণের দলিল।’
তিনি এই কথাও উল্লেখ করেন, ‘এই যুদ্ধে ইতিমধ্যে করদাতাদের ১০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে, ১৪ জন মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন। আর বিনিময়ে আমরা এমন একটি চুক্তি পাচ্ছি, যার মাধ্যমে শুধু সেই হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে, যা ট্রাম্প এই অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ শুরু করার আগেই খোলা ছিল। এটিকে কিভাবে বিজয় বলা যায়?’
ট্রাম্প প্রশাসন এখনো সম্ভাব্য চুক্তির পূর্ণ বিবরণ প্রকাশ করেনি। তবে ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনা থেকে বোঝা যাচ্ছে, চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করতে পারে। চুক্তির প্রকৃত শর্তাবলি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কূটনৈতিক সাফল্য, না রাজনৈতিকভাবে ব্যয়বহুল একটি সমঝোতা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন