প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুনামগঞ্জের ইসলামপুর গ্রামে বেথার হাওর থেকে ফিরছেন একজন বাসিন্দা। সোমবার তোলা।
সুনামগঞ্জে সুরমা এবং কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। সুরমা নদীর পানি ছাতক পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপরে রয়েছে, এবং কুশিয়ারায় মার্কুলি পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
পাউবোর বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় উজান ভাটিতে ভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি, সুরমা এবং কুশিয়ারার পানি আগামী দুই দিনে আরও বেড়ে নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
অন্যদিকে, সূত্রটি জানাচ্ছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জের সীমান্ত নদী যাদুকাটার পানি বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করে নিম্নাঞ্চলে বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমদাদুল হক জানানো হয়েছে, গতকাল রবিবার সকালে ৯টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ভারতের মাউসিনরামে ১১৫ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জের ছাতক ১২৫ মিলিমিটার এবং সুনামগঞ্জ পয়েন্টে ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
আগামী ২৪ ঘণ্টা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে এবং ৪৮ ঘণ্টায় পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে, অবিরাম বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের রাস্তা-ঘাট প্লাবিত হয়ে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। তবে জেলা প্রশাসন বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিয়েছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, প্রত্যেক উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন ও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন