প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিসর সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এই বিষয়টি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে তিন দেশ 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' সই করার পরদিনই তিনি মিসরকে জোটে যুক্ত করার সম্ভাবনার কথা জানান।
সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ জানাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গত শুক্রবার সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এই চুক্তি সই করেছে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ওই যুদ্ধে আশপাশের দেশগুলোও জড়িয়ে পড়েছে এবং হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
এই যুদ্ধের কারণে ইরান ও ইয়েমেনের তাদের মিত্র হুথিরা আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে এবং তারা উভয়েই সৌদি আরবে হামলা চালিয়েছে।
এর পাশাপাশি, গত মাসে ভূমধ্যসাগরের একটি মিসরীয় বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায়ও ড্রোন আক্রমণ ঘটেছে।
এই অবস্থায়, তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আনাদোলুকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাকান ফিদান বলেছেন, তিনি আশা করছেন মিসরও 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে' যোগ দেবে।
তিনি মিসরকে 'সব বিষয়ে স্বাভাবিক অংশীদার' হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেন, "আমি বিশ্বাস করি, পরবর্তী ধাপে মিসরও আমাদের এই জোটের অংশ হবে। আমরা ইতোমধ্যে একে অপরের সঙ্গে এমনভাবে কাজ করছি, যেন আমরা জোটের সদস্য।"
ফিদান আরও বলেন, "কিছু কারিগরি বিষয় রয়েছে। সেগুলো সমাধান হয়ে গেলে মিসরের এ জোটে না থাকার কোনও কারণ নেই।"
তিনি এই প্রতিরক্ষা চুক্তিকে একটি নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে করা হয়নি বলেও জানান।
বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে তার বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, "আমরা কোনও অভিন্ন হুমকির কথা লিখিতভাবে উল্লেখ করিনি।"
এর আগে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, চুক্তি অনুযায়ী জোটের কোনও একটি সদস্যের ওপর হামলাকে সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর উদ্দেশ্য হলো 'সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা শক্তিশালী করা'।
সাক্ষাৎকারে হাকান ফিদান বলেন, এই চুক্তি 'এই অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা আনার পথে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ'।
একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে এই জোট আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।
তিনি বলেন, "আমাদের প্রেসিডেন্টের ভাবনা অনুযায়ী, আমাদের শুধু তিনটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। আমাদের আরও বড় হতে হবে এবং প্রয়োজন হলে সব দেশকে এই ছাতার নিচে নিয়ে আসতে হবে।"
সূত্র: আরব নিউজ, রয়টার্স, আনাদোলু এজেন্সি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন