প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা নামতে চলেছে। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্পেন এবং আর্জেন্টিনা। এখন বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর নজর আকৃষ্ট করছে এই ফাইনাল।
তবে এবারের ফাইনাল মাঠের লড়াইয়ের চেয়ে আলাদা কারণে আলোচনায় এসেছে। কারণ, ফিফার আনুষ্ঠানিক হাফটাইম শো বা বিরতিকালীন সংগীতানুষ্ঠান প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে আয়োজন করা হচ্ছে। এই নতুন ফরম্যাটটি গ্লোবাল সিটিজেনের সহযোগিতায় আয়োজিত হচ্ছে, এবং ফিফার আশা, এটি ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ঐতিহ্যের অংশ হয়ে উঠবে।
এই জমকালো আয়োজনে পারফর্ম করবেন ক্রিস মার্টিন, জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা, বিটিএস এবং শাকিরার মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তারকারা। যদিও সংগীতানুষ্ঠানটি নিয়ে ফুটবল ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ রয়েছে, তবে এটি কতক্ষণ স্থায়ী হবে তা নিয়ে কিছু কৌতূহল ও আলোচনা ছিল। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয় যে, এবারের হাফটাইম শো ৩০ থেকে ৪০ মিনিট দীর্ঘ হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ফিফা জানিয়েছে, শেষ পর্যন্ত বিরতির সময়সীমা আগের মতোই ১৭ মিনিট থাকবে, এর মধ্যে মূল সংগীতানুষ্ঠানটি হবে মাত্র ১১ মিনিটের।
অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, এর আগে তো বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচে সংগীত পরিবেশনা হয়েছে, তাহলে একে কেন প্রথম আনুষ্ঠানিক শো বলা হচ্ছে? এর উত্তর হলো, পূর্বে মেক্সিকো বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচে মানার পারফরম্যান্সটি মূলত মেক্সিকো সিটির বিদায়ী সংবর্ধনার অংশ ছিল। কিন্তু এবারের ফাইনালের এই অনুষ্ঠানটি বিশেষভাবে পরিকল্পিত হয়েছে ফিফার নিজস্ব ব্র্যান্ডিংয়ে, যা সরাসরি বিশ্বকাপের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্থান পেতে যাচ্ছে। ফুটবল এবং বিনোদনের এই মিলনমেলা আজ খেলাটির নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: মার্কা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন